বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশিত : ১০:৩২ অপরাহ্ন বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
অনলাইন ডেস্ক: অবশেষে বিয়ে করলেন বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ও শীর্ষ উপার্জনকারী ইউটিউবার মিস্টার বিস্ট (আসল নাম জিমি ডোনাল্ডসন)। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ও দক্ষিণ আফ্রিকান কনটেন্ট ক্রিয়েটর থিয়া বয়সেনের সঙ্গে নতুন জীবনে পা রাখলেন ২৮ বছর বয়সী এই তারকা। ব্রিটিশ ধনকুবের রিচার্ড ব্র্যানসনের ব্যক্তিগত নেকার দ্বীপে পরিবার ও ঘনিষ্ঠ ৭০ জন অতিথির উপস্থিতিতে অত্যন্ত গোপনীয় ও ঘরোয়া পরিবেশে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
গত ১৪ জুলাই থেকে শুরু হয়ে সপ্তাহজুড়ে চলে এই রাজকীয় বিয়ের উদযাপন। ৭৪ একরের এই দ্বীপে বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি অতিথিদের জন্য কাইটসার্ফিং, স্নরকেলিং এবং বন্যপ্রাণীদের সঙ্গে সময় কাটানোর মতো নানা আনন্দদায়ক ব্যবস্থার আয়োজন করা হয়েছিল। পারিবারিক এক বন্ধুর উপস্থিতিতে তারা একে অপরের কাছে আমৃত্যু পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। বিয়ের বিশেষ এই দিনে মিস্টার বিস্ট বেছে নিয়েছিলেন রালফ লরেনের স্যুট, আর কনে থিয়া বয়সেনের পরনে ছিল নিকোল প্লাস ফেলিসিয়া কুচারের নজরকাড়া ওয়েডিং ড্রেস।
অঙ্গীকার পর্ব শেষে নবদম্পতি লেডি গাগা ও ব্রুনো মার্সের জনপ্রিয় গান ‘ডাই উইথ আ স্মাইল’-এর তালে তাদের প্রথম নাচ পরিবেশন করেন। জমকালো এই আয়োজনে অতিথিদের জন্য সুশি, ওয়াগিউ বিফসহ বাহারি খাবারের পাশাপাশি পরিবেশন করা হয় কনের পছন্দের ক্যারেট কেক। গভীর রাত পর্যন্ত চলা এই পার্টিতে লাইভ ব্যান্ডের পরিবেশনার পাশাপাশি তাস ও বিভিন্ন বোর্ড গেমসের মতো ঘরোয়া খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আনন্দের সময় পার করেন অতিথিরা।
নিজেদের পরিচয় ও সম্পর্কের বিষয়ে জানা যায়, ২০২২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের সময় এক যৌথ বন্ধুর মাধ্যমে থিয়া বয়সেনের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ হয় জিমির। প্রথম দেখাতেই তাদের মধ্যে এক দারুণ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের বড়দিনে নিজেদের বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে থিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন মিস্টার বিস্ট। পৃথিবীর অন্যতম জনপ্রিয় ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও নিজের বিয়ের মূল দিনটি ক্যামেরার ঝলকানি থেকে দূরে রেখে কেবল প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটাতে চেয়েছেন এই ইউটিউবার।
বিয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে থিয়া বয়সেন অনুভূতি প্রকাশ করে জানান, এটি ছিল একদম স্বর্গের মতো এক অভিজ্ঞতা। কাজের ব্যস্ততার কারণে সবাইকে একসঙ্গে পাওয়া যায় না, তাই সব প্রিয়জনকে এক জায়গায় পেয়ে তাদের ভীষণ ভালো লেগেছে। এখন থেকে তারা প্রতি বছর অন্তত এক সপ্তাহের জন্য হলেও সব বন্ধুবান্ধব ও পরিবারকে নিয়ে এমন আয়োজনের পরিকল্পনা করছেন বলেও জানান তিনি।
বর্তমানে দুজনেই নতুন উদ্যমে নিজেদের কাজ ও পরবর্তী জীবনের অ্যাডভেঞ্চার শুরু করার কথা ব্যক্ত করেছেন।