বেসিসের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠিত

0
476

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)’র নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদ (২০১৮-২০)’র অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)’র গুলনকশা মিলনায়নে এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বেসিসের নবনির্বাচিত সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর। এরপর, বিদায়ী কার্যনির্বাহী পরিষদ, বেসিস নির্বাচন বোর্ড ও আপিল বোর্ডকে তাদের অবদানের জন্য শুভেচ্ছা ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা। একইসঙ্গে, নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদকে শপথ পাঠ করান বেসিসের প্রাক্তন সভাপতি ও নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান এস এম কামাল।

তারপর বেসিসের ২০১৬-১৮ মেয়াদের সভাপতি হিসেবে মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, নব-নির্বাচিত সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীরের হাতে বেসিসের পতাকা তুলে দেন। একইসঙ্গে নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদকে বরণ করা হয়।

বেসিসের নবনির্বাচিত সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীরের বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বেসরকারি অংশিদার হিসেবে বেসিস প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। আজকের নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ দায়িত্ব নেয়ার মাধ্যমে উন্নয়নের সেই ধারা অব্যাহত রাখবে। বেসিস তথ্য-প্রযুক্তি খাতের সদস্যদের সংগঠন, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব। সদস্যদের প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন ও উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি সমগ্র তথ্য-প্রযুক্তি খাতকে আরো সমৃদ্ধ করতে সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাবে বেসিস।

বেসিসের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠিত

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, বেসিসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে এ সংগঠনের প্রতিটি ধাপের সঙ্গেই আমি যুক্ত ছিলাম, এখনো আছি। তথ্য-প্রযুক্তি খাতের সদস্যদের সংগঠন হিসেবে সবসময় এ খাতের উন্নয়নের সদস্যরা আপোসহীনভাবে সব কাজ করে এসেছেন। তথ্য-প্রযুক্তি খাতে উন্নয়নে বেসিস এমন এক জায়গায় পৌঁছেছে যা সবার জন্যে গর্ব করার মতো। আমি বেসিসের সদস্য হিসেবে গর্বিত। বেসিসের সূচনালগ্নে আমাদের চিন্তা ছিল কিভাবে বাংলাদেশ থেকে সফটওয়্যার রফতানি করা যায়। আর আজ বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের ৮০টি দেশে সফটওয়্যার রফতানি করছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে বেসিসের অবদান অনস্বীকার্য। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেখেছেন তা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এ লক্ষ্যে বেসিসও ডিজিটাল

বাংলাদেশ গড়ার অংশিদার। বাংলাদেশ তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সবসময় বেসিসের পাশে ছিল, থাকবে। আমি নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।

বেসিসের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠিত

বিশেষ অতিথি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড, বাংলাদেশ ইন্টারনেট সপ্তাহ, বাংলাদেশ সরকারের তথ্য বাতায়ন সেবাসহ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রূপকল্পে বেসিস, তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগের সাথে দীর্ঘদিন ধরে একযোগে কাজ করে আসছে। আজ অভিনন্দন জানানোর দিন। আমি বেসিসের কার্যনির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আশা করি, উন্নতির ক্রমবর্ধমান ধারা বেসিস অব্যাহত রাখবে।

বেসিসের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠিত

সবশেষে বিদায়ী কার্যনির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ বক্তব্য জ্ঞাপন করেন বিদায়ী বেসিস পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে বেসিসের নবনির্বাচিত জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ফারহানা এ রহমান, সহ-সভাপতি (প্রশাসন) শোয়েব আহমেদ মাসুদ, সহ-সভাপতি (অর্থ) মুশফিকুর রহমান, পরিচালক-তামজিদ সিদ্দিক স্পন্দন, দিদারুল আলম, লুনা শামসুদ্দোহা, মোস্তফা রফিকুল ইসলাম। বিদায়ী কার্যনির্বাহী পরিষদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিদায়ী জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রাসেল টি আহমেদ, বিদায়ী সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান, বিদায়ী পরিচালক উত্তম কুমার পাল, পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, পরিচালক সোনিয়া বশীর কবির ও পরিচালক দেলোয়ার হোসেন ফারুক।

উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ ২০১৮ তারিখে, ২০১৮-২০ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

Leave a Reply