মেজাজ হঠাৎ তুঙ্গে!

0
434

কখনো যুক্তি সঙ্গত কারণে আবার কখনো তুচ্ছ কথায়। কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই সৃষ্টি হয় বাজে পরিস্থিতি।
ক্ষণিকের এই উত্তেজনা নষ্ট করে দেয় সুন্দর সম্পর্কগুলো।
তাই দরকার নিজেকে শুদরে নেওয়া।
তাছাড়া, ব্যক্তিত্বকে যদি বিবেকের সারিতে দাঁড় করাতে চান তবে অবশ্যই রেগে যাওয়া নয়। রেগে যাওয়ার আগে ভাবুন আরও একবার। আর তাই রাগের প্রথমে নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করুন কোন কথা নয়, চুপ করে নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করুন।
একটা শান্তির নিশ্বাস নিন। রাগের কারন নিয়ে ভাবুন কিছুক্ষন ।
রাগ না করার পিছনে যুক্তি বের করতে চেষ্টা করুন।
আস্তে আস্তে রাগ কমে আসবে।রাগের মাথায় যা খুশি তাই বলে ফেলি, করেও চলি।
কিন্তু পরক্ষনেই অসুবিধায় পড়তে হয় সবাইকে।
তাই রেগে গেলে বেশী কথা নয় চুপ করে থাকা শ্রেয়।
স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়ে থাকতেই পারে তাই বলে বড়াবাড়ী করমের দিকে না যাই, সেই দিকে অবশ্যই নজর রাখতে হবে।
রাগের ব্যাপারটিকে বসে সমাধানের সিদ্ধন্ত নেওয়ার চেষ্টা করুন।
কোন ব্যাপারে আপনার মেজাজ খারপ হয় সেই ব্যাপার গুলো এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। না হলে ব্যাপরটিকে সহজ ভাবে সমাধান করার চেষ্টা করুন। রাগ উঠলে জোরে মিউজিক শুনতে পারেন। অন্য মনষ্ক হয়ে রাগ আস্তে আস্তে কমে যেতে পারে। হালকা নরম মিউজিকের গান কিংবা পুরনো দিনের গান শুনতে শুনতে ঘুম দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।
রাখ কমানোর জন্য সমুদ্রের পাড়, নদীর পাড় কিংবা নিরিবিলি স্থানে গিয়ে সময় টুকু কাটাতে পারেন।
রাগের সময় ধীরে ধীরে ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। ব্যায়াম আপনার পেশীকে শীতিল এবং মনকে শান্ত করবে।
যুক্তি দিয়ে নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করুন। রেগে গেলে শুধু নিজেরই ক্ষতি হবে, অন্যর কোন ক্ষতি হবে না, এমন চিন্তা আনতে পারলে রাগ এমনিতেই কমে আসবে।

তারুণ্য বিডি টুয়েন্টিফোর ডটকম/ফারজানা আক্তার মিতু