তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলা ভাংচুর ও লুটাপাটের মত ঘটনা ঘটেছে চাঁদপুর-২

0
802

গত ১১ই মার্চ দুপুরে চরপয়ালি বাজারে এই ঘটনা ঘটে। সরজমিনে জানা যায় মুক্তি যোদ্ধা কালাম পাটোয়ারি, ওনি এলাকায় একজন সৎ ও ন্যায় বিচারের অধিকারী। এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা কালাম পাটোয়ারি বিভিন্ন বিচার সালিশ করে থাকেন। মুক্তিযোদ্ধা কালাম পাটোয়ারি ন্যায় করেন বিধায় এলাকার গরিব ও দুঃস্থ মানুষেরা উনাকে বিভিন্ন বিচার সালিশে নিয়ে যায় ন্যায় বিচার পওয়ার জন্য। তাই এলাকায় কিছু কুচক্র মহল এলাকায় বিচার সালিশের নামে মানুষের কাছ থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে সঠিক বিচারটা তারা করে না। এমন কিছু ব্যক্তি এলাকায় অসৎ পথে টাকা উপার্জন করতে না পেরে মুক্তিযোদ্ধা কালাম পাটোয়ারিকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দমকি দিয়ে থাকে যাতে করে উনি বিভিন্ন বিচার আচারে না যায়। ঔ সকল কুচক্র মহলের হুমকি দমকি মুক্তিযোদ্ধা কালাম পাটোয়ারি আমলে না নিয়ে সে গরিব দুঃখি পাশে গিয়ে দাড়ান। এমতাবস্থায় মুক্তিযোদ্ধা কালাম পাটোয়ারিকে কিছু করতে না পেরে উনার একমাত্র ছেলে জাকির পাটোয়ারিকে ঘটনার আগের দিন বিকালে চরপয়ালি বাজারে যাওয়ার পথে চরপয়ালি মিয়াজি বাড়ির ছায়েদ মিয়াজির ছেলে রাসেল তাকে রাস্তার ধরে বিভিন্ন গাল মন্দ করে এবং বলে “তুই তোর বাবাকে বলিস, সে যেন কোন বিচার আচারে না যায়।” না হং তুই তোর বাবার একমাত্র ছেলে তোকে একবারে গায়েব করে পেলব। এই কথা জাকির পাটোয়রি তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা কালাম পটোয়ারিকে বাড়িতে বললে, উনি ঐ ছেলের বাবা ছায়েদ মিয়াজিকে জানান। ছেলে রাসের ক্ষুদ্ধ হয়ে ঘটনার দিন ছয়েদ মিয়াজির ছেলে রাসেল আবুল কাসেমের ছেলে রিয়াজ (১৮) তোরাব আলীর ছেলে খোরশেদ (২৫), আবু সাঈদ, রাকিব, সোহাগ, মাসুদ, শেখ ফরিদ, নজুরল, আবুল কাসেম, শুভ, সেলিম মিয়াজি চরপয়ালি মিয়াজি বাড়ির এদের নেতৃত্বে আশপাশের গ্রামের প্রায় শাতদিক যুবক নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কালাম পটোয়ারির বাড়িতে হামলা চালাই। এতে বাড়িতে থাকা কালাম পাটোয়ারির ছেলে জাকির ও তার ফুফু এবং তার মা তারা আহত হয়। এই অবস্থায় তারা মুক্তিযোদ্ধা কালাম পাটোয়ারিকে না পেয়ে তারা চরপয়ালি বাজারে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কালাম পাটোয়ারির মার্কেটে গিয়ে হামলা চালাই। ঐ হামলায় মার্কেটের ছয়টি দোকান ভাংচুর করে এই হামলার ঘটনার খবর পেয়ে মতলব দক্ষিণ থানার এ.এস.আই নজরুল ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থালে আসে। তাদের আসার খবর টের পেয়ে অন্যান্য সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলেও ছায়েদ মিয়াজির ছেলে রাসেল কে ভাংচুররত অবস্থায় তাকে হাতে নাতে আটক করে। পুলিশ বাকিদেরকে খুঁজে পায়নি। ঐ সকল সন্ত্রাসীরা অর্থবান হওয়ায় থানা পুলিশ কেউ তাদেরকে কিছু করতে পারে নাই। এদিকে মুক্তিযোদ্ধা কালাম পাটোয়ারি বলেন তারই আমার জাকিরকে মারধর করে মার্কেট ভাংচুর করে এবং লুটপাট করে। এদিকে চরপয়ালি বাজার ব্যবসায়ি নাজির পাটোয়ারি ও মোশারফ বলেন, মিয়াজি বাড়ির ছেলেরা বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন নিয়ে বিভিন্ন সময় মারামারির মত ঘটনা ঘঠিয়ে থাকে। এদের কেউ ভয়ে কিছু বলতে পারেনা। তবে আমাদের যে দোকান ভাংচুর করেছে এই ক্ষতিপূরণ কে দিবে? ওসি এ.কে.এম ইকবাল বলেন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনি। তবে এখন মিয়াজির বাড়ির সেই লোকেরা মুক্তিযোদ্ধা কালাম পাটোয়ারি বিভিন্ন ভাবে ফাসানোর জন্য নিজ বাড়িতে বেড়াতে আসা ইব্রাহীব শীর্ষ সাইম আগের ঘটনার আগের দিন রাস্তার গাড়ির ধাক্কায় এক্সিডেন্ট হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ঐ ঘটনাকে মুক্তিযোদ্ধা কালাম পাটোয়ারির উপর চাপানোর চেষ্ঠা করে তাকে হেও করানোর জন্য । তাই প্রশাসন ও চাঁদপুর পুলিশ সুপার বিভিন্ন মহলের সাংবাদিক ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এই বিষয়টি আমলে নিয়ে যাতে করে কোন মুক্তিযোদ্ধা কোন সন্ত্রসীদের হাতে লাঞ্চিত না হয় এবং বিভিন্ন হামলার শিকার না হয়। যে ঘটানা ঘটেছে তার বিচার যেন মুক্তিযোদ্ধারা পায়।

Leave a Reply