গাইবান্ধায় সাংবাদিকসহ আট ভূয়া অডিট অফিসার আটক।

0
243

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের চকবরুল কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের ভুয়া অডিট অফিসার সেজে প্রতারনাকালে সাংবাদিক ও দুই নারীসহ প্রতারক চক্রের আট সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে নকল সাটিফিকেটসহ বেশ কিছু ভুয়া পরিচয় পত্র জব্দ করা হয়। রবিবার রাতে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানায় পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন- সদর উপজেলার ব্রীজরোড কালিবাড়ি পাড়ার নারু গোপাল দাসের ছেলে সাংবাদিক তপন চন্দ্র দাস (৩৬), বাদিয়াখালী ইউনিয়নের ছাটচকবরুল গ্রামের সুকুমার চন্দ্র শীলের ছেলে সঞ্জয় চন্দ্র শীল (২৬), পিয়ারাপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে আতিকুর রহমান (৩৫), দক্ষিণ ধানঘড়া এলাকার চান মিয়ার ছেলে রায়হান সরকার (২৫), কিশামত গোপালপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের স্ত্রী কাকলি খাতুন (২৪), সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামের আব্দুল মান্নান তালুকদারের ছেলে সারোয়ার হোসেন (২৫), পলাশবাড়ী উপজেলার তালুকজামিরা গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে রুবেল মিয়া (২১) এবং ফকিরহাট গ্রামের লিমন মিয়ার স্ত্রী মুর্শিদা আক্তার রুমি (২৩)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের লোগো সম্বলিত একটি মাইক্রোবাসে দুপুরে সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের চকবরুল কমিউনিটি ক্লিনিকে যায় প্রতারক চক্রের এ আট সদস্য। এ সময় তারা অডিট অফিসার পরিচয় দিয়ে ক্লিনিক পরিচালনার বিভিন্ন কাগজপত্র দেখতে চায় এবং একপর্যায়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। পরে তাদের আচরন ও কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হলে কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি সজিব মিয়া এলাকাবাসীর সহায়তায় তাদের একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাদের থানায় নিয়ে যায়। এর আগেও গত সপ্তাহে সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের আরেকটি কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়েও একই ধরনের কর্মকান্ড চালিয়ে টাকা দাবির অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) মইনুল হক জানান, আটককৃত আট প্রতারককে পুলিশে সোর্পদ করে এলাকাবাসী। তাদের ব্যাপারে খোজ খবর নিয়ে কাগজপত্র পরীক্ষা নিরিক্ষা ও সত্যতা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

Leave a Reply