লক্ষ্মীপুরে নির্মাণ শ্রমিককে হত্যার পর লাশ গুম! অ আ আবীর আকাশ,লক্ষ্মীপুর: : লক্ষ্মীপুরে নির্মাণাধীণ বাড়ি থেকে নুর আলম (৫০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকে অপহরণ করার অভিযোগ উঠেছে। এসময় তার বিছানা রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে পরিবারের দাবী হত্যার পর লাশ গুম করা হয়েছে। রবিবার (৩ মার্চ) ভোররাতে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডস্থ বড়িশার বাড়িতে এঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সকালে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন। অপহৃত নুর আলম একই ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডস্থ ভূইয়া বাড়ির মৃত শামছুল হকের ছেলে। তিনি নির্মাণ কাজ করতেন এবং ওই নির্মাধীণ বাড়ি পাহাড়ার দায়িত্বে ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বড়িশার বাড়ির প্রবাসী মমিন গাজীর পাকা ঘর নির্মাণ কাজ শেষে রাতে পাহাড়ায় পাশের টিনসেট ঘরে থাকতো নুর আলম। শনিবার রাতে ওই ঘরে ঘুমিয়ে ছিলো নুর আলম। পরের দিন (রবিবার) সকালে অন্যান্য শ্রমিকরা কাজ করতে এসে তার বিছানা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে এবং তাকে খুজে না পেয়ে পরিবারের লোকজনকে খবর দেয়। এদিকে অপহৃতার স্ত্রী শাহনাজ বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামীর সাথে স্থানীয় শহীদ উল্যা গাজীর ছেলে ইসমাইলের বিরোধ রয়েছে। সে প্রবাসী মমিন গাজীর ভাই। ঘটনার সময় রাতে পরিকল্পিত ভাবে ইসমাইল তার স্বামীকে হত্যা করে লাশ গুম করে রেখেছে। এঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবী করেন তিনি। প্রবাসী মমিন গাজী বলেন, রাতে তাকে পাহাড়ায় রেখে যাই। কিন্তু সকালে নির্মাণ শ্রমিকরা খবর দেয় নুর আলমকে পাওয়া যাচ্ছে না। দক্ষিণ হামছাদি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মীর শাহ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্তকর্মকর্তা ওসি লোকমান হোসেন বলেন, আশপাশের পুকুর-ডোবাসহ সবস্থানে খোজা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ঘুমন্ত অবস্থায় নির্মাণ শ্রমিককে আঘাত করা হয়েছিলো। পরে শূণ্য করে তাকে গুম করা হয়েছে। এঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। TARUNNO BD 24

0
221

অ আ আবীর আকাশ,লক্ষ্মীপুর: লক্ষ্মীপুরে নির্মাণাধীণ বাড়ি থেকে নুর আলম (৫০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকে অপহরণ করার অভিযোগ উঠেছে। এসময় তার বিছানা রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে পরিবারের দাবী হত্যার পর লাশ গুম করা হয়েছে। রবিবার (৩ মার্চ) ভোররাতে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডস্থ বড়িশার বাড়িতে এঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে সকালে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন।
অপহৃত নুর আলম একই ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডস্থ ভূইয়া বাড়ির মৃত শামছুল হকের ছেলে। তিনি নির্মাণ কাজ করতেন এবং ওই নির্মাধীণ বাড়ি পাহাড়ার দায়িত্বে ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বড়িশার বাড়ির প্রবাসী মমিন গাজীর পাকা ঘর নির্মাণ কাজ শেষে রাতে পাহাড়ায় পাশের টিনসেট ঘরে থাকতো নুর আলম। শনিবার রাতে ওই ঘরে ঘুমিয়ে ছিলো নুর আলম। পরের দিন (রবিবার) সকালে অন্যান্য শ্রমিকরা কাজ করতে এসে তার বিছানা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে এবং তাকে খুজে না পেয়ে পরিবারের লোকজনকে খবর দেয়।

এদিকে অপহৃতার স্ত্রী শাহনাজ বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামীর সাথে স্থানীয় শহীদ উল্যা গাজীর ছেলে ইসমাইলের বিরোধ রয়েছে। সে প্রবাসী মমিন গাজীর ভাই। ঘটনার সময় রাতে পরিকল্পিত ভাবে ইসমাইল তার স্বামীকে হত্যা করে লাশ গুম করে রেখেছে। এঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবী করেন তিনি।

প্রবাসী মমিন গাজী বলেন, রাতে তাকে পাহাড়ায় রেখে যাই। কিন্তু সকালে নির্মাণ শ্রমিকরা খবর দেয় নুর আলমকে পাওয়া যাচ্ছে না।

দক্ষিণ হামছাদি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মীর শাহ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্তকর্মকর্তা ওসি লোকমান হোসেন বলেন, আশপাশের পুকুর-ডোবাসহ সবস্থানে খোজা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ঘুমন্ত অবস্থায় নির্মাণ শ্রমিককে আঘাত করা হয়েছিলো। পরে শূণ্য করে তাকে গুম করা হয়েছে। এঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply