চন্দনাইশ ছাত্র সমিতি’র সভায় বক্তারা সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে ডাঃ নুরুল ইসলাম’র জীবনাদর্শ অনুসরণ’র বিকল্প নেই

0
732

বাংলাদেশে চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন, জাতীয় ঔষুধনীতি প্রণয়ন, ঔষুধশিল্পের বিকাশ, ধূমপান বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলাসহ বহু ক্ষেত্রে জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলাম’র অবদান স্মরণীয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (ইউএসটিসি) তাঁর অমর কীর্তি। সফল চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডা. নুরুল ইসলাম’র জীবনাদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদ’র চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার চৌধুরী।

২৪ জানুয়ারি ডা. নুরুল ইসলাম’র ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী। নগরীর চট্টগ্রাম একাডেমিতে চন্দনাইশ ছাত্র সমিতির চট্টগ্রাম’র উদ্যোগে জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ নুরুল ইসলাম’র জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা সভা সংগঠনের নবনির্বাচিত সভাপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল নোমান’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদ’র চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্্েরাপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজের সহ-সভাপতি ও বিজিএমইএ’র পরিচালক এ এম মাহবুব চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবলীগ’র উপ-কৃষি সম্পাদক মীর মোঃ মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ ব্যাংক, চট্টগ্রাম’র যুগ্ম পরিচালক একরাম হোসেন, ঢাকাস্থ চন্দনাইশ সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মুছা বাবু, মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর দৌহিত্র এ এম এস ইসলামাবাদী গাজী, ওমর সুলতান ফাউন্ডেশন’র পরিচালক নজরুল ইসলাম, তরুণ উদ্যোক্তা কামরুজ্জামান ফরহাদ, সংগঠক নোমান উল্লাহ বাহার, চন্দনাইশ ছাত্র সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন গিফারী, সহ-সভাপতি তানভীর আহমেদ ছিদ্দিকী, সাইফুদ্দিন হিরু, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মন্নান হৃদয়। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ যথাক্রমে একেএম নাইমুদ্দিন সায়েম, জাহেদুল ইসলাম, এনাম হোসেন হিরু, ইরফান সাদেক শুভ, ইলিয়াছ আহমেদ, ইমরান উদ্দিন জয়, ইউনুসুর রহমান, মোঃ আলমগীর, মোঃ জাহেদুল ইসলাম, তৌফিক আলম চৌধুরী জোহাদী, সুজন দে, হুমাইরা আরফিন, রাকিবুল হাসান মারুফ, শফিকুল ইসলাম, শাহাব উদ্দিন, কামরুল হাসান রিমন, ফারুক আজম, মোঃ আবদুর রহমান, মোঃ ইমরান, আকিব উদ্দিন, সায়েম উদ্দিন, দীপ্ত ঘোষ, আসিকুর রহমান, শাহেদুজ্জামান চৌধুরী, মোঃ সাকিবুল্লাহ, জসিম উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম আসিফ, ইমতিয়াক হায়দার সজীব, ইকবাল হোসাইন, রিদোয়ান মুন্না, মিজানুর রহমান রায়হান, সাজ্জাদ হোসেন, সুব্রত দে, সাঈদ আনোয়ার আবিদ প্রমুখ। বক্তারা আরো বলেন, ডা. নুরুল ইসলাম ¯œাতকোত্তর মেডিকেল শিক্ষাকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াসে ৬০’র দশকে ইনস্টিটিউট অফ পোস্ট গ্রাজুয়েট মেডিসিন এন্ড রিসার্জ ও পিজি হাসপাতাল গড়ে তোলেন। মায়ের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, অসাধারণ প্রতিভার সম্মিলন ও সমানুবর্তিতার অনুসরণে তিনি হয়ে উঠেন দেশের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের প্রিয় চিকিৎসক। তিনি বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ছাড়াও কবি কাজী নজরুল ইসলাম, মাওলানা ভাসানী, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, পল্লী কবি জসিম উদ্দিন’র চিকিৎসা সেবায়ও নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। চিকিৎসক হিসেবে ডাঃ ইসলাম’র প্রেসক্রিপসন’র বিশেষ দিক ছিলো অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় ঔষুধ বর্জন। বর্তমানে চিকিৎসা ক্ষেত্রে যে সকল সমস্যা বিদ্যমান বিশেষত মুনাফা কেন্দ্রীক মনোভাব, প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসা সেবার ঘাটতি, অসহনীয় চিকিৎসা ব্যয় প্রভৃতি দূরীকরণের মাধ্যমে সকলের জন্য মানসম্মত ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে ডাঃ নুরুল ইসলাম’র জীবন ও আদর্শ অনুসরণ’র বিকল্প নেই।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে