৪ শ হেক্টরে সাড়ে ৫ হাজার মে. টন ক্ষীরা উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা চাঁদপুরে

0
859

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁদপুর দেশের অন্যতম নদীবিধৌত কৃষি প্রধান অঞ্চল। মেঘনা, পদ্মা, মেঘনা ধনাগোদা ও ডাকাতিয়া নদী এ জেলা ওপর দিয়ে বয়ে যাওযায় কৃষি উৎপাদনে নদী অববাহিকায় ব্যাপক ফসল উৎপাদন হয়ে থাকে।

ফলে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় কমবেশি ক্ষীরা উৎপাদন হয়ে থাকে । নদীর তীর সংলগ্ন এরাকাগুলোতে ব্যাপকহারে এ ক্ষিরার চাষাবাদ ও উৎপন্ন হয় ।

জেলার ১১ টি নদীমার্তৃক চরাঞ্চলে এর ব্যাপক চাষাবাদ হয়। এটি দুই মাসের ফসল। বপনের ৩০ দিনের মধ্যেই মাঠ থেকে ক্ষীরা তোলা শুরু হয়।

চলতি মৌসুমে চাঁদপুর জেলার ৮ উপজেলায় এবার সাড়ে ৪ শ’ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ সাড়ে ৫ হাজার মেট্টিক টন ক্ষির উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে খাবার বাড়ি চাঁদপুর কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক এক তথ্যে জানা গেছে।

ক্ষীরাচাষি রোশনাই প্রামাণিক জানান, প্রতি বছরের মতো এ বছরও তিন বিঘা জমিতে ক্ষিরার চাষ করেছেন তিনি। চাষবাস থেকে শুরু করে এ যাবৎ প্রায় এক লাখ টাকা খরচ হয়েছে। আরো প্রায় ৩০ হাজার টাকা খরচ হবে।

যদি ফলন ভালো হয় এবং কোনো বালা-মছিবত না আসে তাহলে তিন বিঘা জমি থেকে খরচ বাদ দিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকা লাভ হবে বলে জানান তিনি।

কৃষি বিভাগের সূত্রে জানা যায় চাঁদপুর সদরে ১,৫৮০ মে. টন, মতলব উত্তরে ১ হাজার ৮২০ মে. টন, মতলব দক্ষিণ ২’শ ৯৫ মে. টন, হাজীগঞ্জ ৯ শ’ ৮৮ মে. টন, শাহারাস্তি ৩৯৫ মে. টন, কচুয়ায় ২’শ ১৪ মে. টন, ফরিদগঞ্জে ৫৯৫ মে. টন এবং হাইচমচরে ৩৩গ মে. টন ক্ষির উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বর্তমানে চাঁদপুরের সব উপজেলার ছোট-বড় প্রায় ৩ শতাধিক হাট বাজারের শত শত হোটেল- রেস্তোরাঁয় ক্ষীরার চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। এ ছাড়াও প্রতিটি পরিবারের ছোট বড় সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান, ওয়াজ, দোয়া ও বিয়েতে এর চাহিদা অপ্রতিরোধ্য ।

চিকিৎসকদের মতে, ক্ষীরা হজমশক্তি বৃদ্ধি ও চর্বি দমনের একটি টনিক হিসেবে কাজ করে ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে