আগামী ৫ বছরে আমি ও বাদশা দুইজন মিলে দুই লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ করতে চাইঃ রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন

0
766

M

রাজশাহী সমন্বয়ক, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, রাজশাহীতে শিল্পায়ন-কলকারখ
ানা স্থাপন করা হবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবো। আগামী ৫ বছরে আমি ও বাদশা দুইজন মিলে দুই লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ করতে চাই। এখন আপনারা সিদ্ধান্ত নিন, চাকরি চান, না ধানের শীষে ভোট দিতে চান?

সোমবার বিকেল ৫টায় নগরীর সাহেবাজার জিরোপয়েন্টে বড় মসজিদ প্রাঙ্গনে মহানগর জাতীয় শ্রমিক লীগ আয়োজিত রাজশাহী-২ আসনের প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশার নৌকা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে চলেছেন। আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে নৌকার বিজয় হলে উন্নয়নের যে মহাসড়কে আমরা উঠে গেছে, সেটা অব্যহত থাকবে, দেশ এগিয়ে যাবে।
মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি খায়রুজ্জামান লিটন আরো বলেন, একদিকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নৌকা প্রতীক, অন্যদিকে বিপক্ষের প্রতীক ধানের শীষ। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী যুদ্ধাপরাধী দল। ইতোমধ্যে তাদের দলের নিবন্ধন বাতিল হয়েছ। এতো কিছুর পরও সেই দলের নেতাদের ধানের শীষের প্রতীক দিয়েছে বিএনপি। এজন্য তাদের ধিক্কার জানাই।
মেয়র আরো বলেন, রাজশাহীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে তিনটি শিল্পা ল প্রতিষ্ঠার অনুমতি দিয়েছেন। রাজশাহীতে তো এখনো মেগা প্রোজেক্টের কাজ শুরু হয়নি। আপনারা আমাদের কাজ করার সুযোগ দিন। যখন কাজ শুরু হবে, দেখতে পাবেন, আপনারাই বলবেন ৩০ ডিসেম্বর নৌকায় ভোট দিয়ে সঠিক সিন্ধান্ত নিয়েছিলাম।
রাজশাহী-২ আসনে মহাজোটের প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, গত ৫ বছর রাজশাহীর উন্নয়ন থেমে ছিল। লিটন ভাই মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় রাজশাহীর থেমে থাকা উন্নয়নের চাকা সচল হয়েছে। রাজশাহীতে বিএনপির মেয়র ছিলেন বুলবুল, তিনি সিটি কর্পোরেশনের কর্মচারীদের বেতন দিতে পারেননি। তারা রাজশাহীর উন্নয়নে কোনো অবদান রাখতে পারবে না।
ফজলে হোসেন বাদশা আরো বলেন, বিএনপির যিনি প্রার্থী তিনি ছিলেন জঙ্গিবাদের পৃষ্টপোষক ছিলেন। মিনু ছিলেন খালেদা জিয়ার কলাগাছ। তিনি রাজশাহীর উন্নয়ন করবেন কিভাবে। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ থেকে রাজশাহীকে রক্ষা করতে হলে রাজনীতি থেকে মিনুকে চিরতরে বিদায় করতে হবে।
মহানগর জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি বদরুজ্জামান খায়েরের সভাপতিত্বে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য দেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা প্রমুখ। স ালনায় ছিলেন মহানগর জাতীয় শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সোহেল।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে