সোনারগাঁকে গড়ে তুলতে চাই পর্যটনবান্ধব শিক্ষানগরী হিসেবেঃ এ এইচ এম দুলাল মাসুদ

0
841

সাইফুল খান, সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জ-৩, (সোনারগাঁ) আসন থেকে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী এ এইচ এম মাসুদ দুলাল সোনারগাঁবাসীর কাছে ক্লিন ইমেজের রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি ৯০দশকের আগেই ছাত্র রাজনীতিতে হাতেখড়ি। ঢাকা কলেজে পড়াশোনাকালীন জড়িয়ে পড়েন বঙ্গবন্ধুর গড়া সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রেখেছেন সক্রিয় ভূমিকা। ১৯৯৬ সালের আন্দোলন এবং ২০০১ সালে জামায়াত-বিএনপি সরকার বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে রাজপথে ছিলেন। ২০০৩ সালে তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি-সেক্রেটারির সাথে জামায়াত বিএনপির নির্যাতনের শিকারও হয়েছিলেন এই নেতা। ২১ই আগস্টের গ্রেনেড হামলায় আহত দুলালকে তখন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী শেখ হাসিনা হসপিটালে দেখতে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সদস্য। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় মৃত্যুর মুখোমুখি হয়ে বেঁচে এসেছেন দুলাল। তবুও থেমে যাননি। দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছরের রাজনীতিতে আন্দোলন সংগ্রামে সবসময়ই সক্রিয় ছিলেন, ভেঙ্গেছেন বাধার দেয়াল। সোনরগাঁয়ে বহু নেতা-কর্মী তৈরি করেছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে। সবই করেছি দলের জন্য।

সম্প্রতি আমাদের নতুন সময় এর প্রতিবেদকের মুখোমুখি হয়েছেন এ এইচ এম মাসুদ দুলাল। এসময় তিনি সাক্ষাৎকারে বলেন, সোনারগাঁবাসীর ডাকে সারাদিয়ে নিজেকে মানুষের কল্যাণে নিবেদন করতেই দলের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশের উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে আওয়ামীলীগ সরকারকে আবার রাষ্ট্র পরিচালনায় রাখতে আমি একজন ক্ষুদ্র নেতা চেষ্ঠা করছি। সোনারগাঁবাসী মনে করেন এ আসনে সুশিক্ষিত, মার্জিত, ভদ্র ও ক্লিন ইমেজের নেতা না হলে পাস করা সম্ভব না, যদি নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়। সোনারগাঁয়ের ভোটের রাজনৈতীক ইতিহাস এমনটাই। সোনারগাঁবাসী অনেক বেশী সচেতন দল ও প্রতিকের সাথে সাথে প্রার্থী নির্বাচনেও ভুল করেন না। এখন দলের হাইকমান্ড বিষয়টিকে সু-বিবেচনায় রাখবেন আশা করছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মনোনয়ন পাওয়া না পাওয়া বিষয় না। নেত্রী নৌকা যাকে দেবেন আমি তার পক্ষেই কাজ করবো। আমি আশা করি নেত্রী সৎ, যোগ্য ব্যক্তিকেই মনোনয়ন দেবেন। এলাকার সাধারণ মানুষ নতুন কাউকে চান। তারা পরিবর্তন চায়। এবং আমি সুখে দুঃখে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করি, তারাও আমার উপর আস্থা রাখতে চায়। দল আমাকে মনোনয়ন না দিয়ে যাকে দিবে আমি তার পক্ষে অবশ্যই কাজ করবো। নেত্রী চাচ্ছেন সৎ, শিক্ষিত, যোগ্য নেতৃত্ব। আমি আমার কাজ করে যাচ্ছি। দল যদি মনোনয়ন দেয় এবং যদি নির্বাচিত হই নিজ এলাকা নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁকে গড়ে তুলতে চাই পর্যটনবান্ধব শিক্ষানগরী হিসেবে। সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত শহর গড়ার লক্ষ্যে সোনারগাঁ ব্যাপক খেলাধুল- টোর্নমেন্ট, আইটি পার্ক, আউটসোর্সিং, ট্রেনিং ইনিষ্টিটিউট ও ভালো ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করে ডিজিটাল বাংলাদেশ করতে শতভাগ চেষ্ঠা চালাবো।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে