জাতির জন্য জাতীয় চারনেতা জেলখানায় জীবন বিসর্জন পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল

0
866

চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের উদ্যোগে জেল হত্যা দিবস স্মরণে এক আলোচনা সভা গত ৫ নভেম্বর সংগঠনের আহ্বায়ক বাবুল কান্তি দাশের সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপালী ব্যাংকের পরিচালক, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক আবু সুফিয়ান। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ মাহমুদুল হক, সংগঠনের সচিব আসিফ ইকবালের পরিচালনায় এতে প্রবন্ধ পাঠ করেন লেখক সজল চৌধুরী। আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি লায়ন মোঃ জাফর উল্লাহ এমজেএফ, ত্রিপুরা ভারত আগত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ লেখক ও গবেষক ড.দেবব্রত দেবরায়, বিশিষ্ট লেখক, প্রকাশক ও আইনজীবী রাখাল মজুমদার, বিশিষ্ট কবি, ছড়াকার রতন আচার্য্য, শিলিগুড়ি পশ্চিমবঙ্গের কবি সুলেখা মজুমদার, ত্রিপুরার বিশিষ্ট কবি নিভা চৌধুরী, আগরতলার মৌমিতা প্রকাশনের প্রকাশক সোমা মজুমদার, ফুলকলির জেনারেল ম্যানেজার লেখক সাবেকমন্ত্রী জহুর আহমদ চৌধুরী ফাউন্ডেশনের পরিচালক শরফুদ্দীন চৌধুরী রাজু, ভারত থেকে আগত কবি শ্রীমতি সন্ধ্যা ভৌমিক, কবি জ্যোতির্ময় রায়, বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক মন্টু দাশ, গুয়াহাটি ভারত থেকে কবি শ্রীমতি রীতা বড়–য়া, ত্রিপুরার কবি বিশিষ্ট কবি মৌসুমী কর, বিশিষ্ট নাট্যশিল্পীও উপস্থাপিকা নন্দিতা ভট্টাচার্য, বিশিষ্ট কবি সুদীপ্তা দেবনাথ, নলবাড়ি অসম ভারত থেকে আগত কবি শ্রী বিপুল কান্তি দত্ত, ত্রিপুরার কবি ও উপস্থাপিকা শ্রীমতি সঞ্চিতা পাল। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজনিতিক স্বপন সেন, চকবাজার থানা আওয়ামীলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক অমর দত্ত, ডাঃ জামাল উদ্দীন, শিক্ষাবিদ মানস দাশগুপ্ত, আবৃত্তিশিল্পী দিলরুবা খানম, শবনম ফেরদৌসী, কবি সজল দাশ, সংগঠক রতন দাশগুপ্ত, সাবেক ছাত্রনেতা সালাউদ্দীন, নুরুল হুদা চৌধুরী, নারায়ন দাশ চৌধুরী, সৈয়দা শাহানা আরা বেগম, শিউলী চৌধুরী, ডা: অরুণ কুমার আচার্য বলয়, আবৃত্তি শিল্পী ফারুক হোসেন, বোরহান উদ্দীন গিফারী, রাজীব চক্রবর্তী, কুতুব উদ্দীন রাজু, জাবেদ চৌধুরী, সুমন চৌধুরী, রতন ঘোষ, সাইফুল আরাফাত বাপ্পা, মানিক, শিহাব, সাকিব চৌধুরী। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর চার বিশ্বস্ত নেতা জাতির দুঃর্দিনের কান্ডারী, মুজিব নগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী শহীদ তাজউদ্দীন, মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রী ক্যাপ্টেন মনসুর আলী ও এইচ.এম.কামরুজ্জামানকে সেদিন পাকিস্তানের পেতাতœরা জেলখানায় হত্যা করে মুলত এদেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বাধীনতার চেতনা ভুলুন্ঠিত করতে চেয়েছিল। পাকিস্তানের পরাজিত শক্তিরা ৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে ক্ষান্ত হননি। ৩ রা নভেম্বর জেল খানায় জাতীয় চারনেতাকেও তারা নির্মমভাবে হত্যা করে এদেশকে একটি পাকিস্তানী ভাবধারার রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। জাতীয় চারনেতা সেদিন জাতির জন্য, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতিদান জীবন বিসর্জন করে বাঙালী জাতিকে ঋণী করেছেন। সভায় বক্তারারা তাদের এই আত্মত্যাগের অবদান কখনো ভুলার নয়। বাঙালী জাতির ইতিহাসে জাতীয় চারনেতার অবদান ইতিহাসের স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। জাতীয় চারনেতার আতœত্যাগের মর্যাদা ও বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে সমুজ্জ্বল রাখতে আগামী নির্বাচনেও নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রীত্বের সুযোগ দানের আহবান জানান। সভার শুরুতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চারনেতা, সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় নীরবতা পালন করা হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে