আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে পাবনা জেলার ৫টি আসনে নির্বাচনী হালচাল

0
865

রেজা নাবিল, পাবনা: আসন্ন জাতীয় একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পাবনা জেলার ৫টি আসনে চলছে ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা। পাঁচটি আসনেরই মনোয়ন প্রার্থীরা নিজেকে নৌকার যোগ্য মাঝি প্রমাণ করতে ব্যাপক প্রচারণায় ব্যস্ত। নিজেকে একমাত্র যোগ্য মাঝি বলেও দাবী করছেন অনেকেই। জনপ্রিয়তা তুলে ধরতে মোটর বাইক শোডাউন, মিছিল, সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে অনেকেই। প্রত্যেক আসনেই একাধিক প্রার্থী নিজেদের যোগ্য দাবী করলেও অনেকেরই রয়েছে অধিক জনপ্রিয়তা। এরই ধারাবাহিকতায় মাঠ পর্যায়ের নানারকম কর্মসূচির দ্বারা বিভিন্ন জরিপে উঠে এসেছে নেীকার যোগ্য মাঝিদের তালিকা। এদের মধ্যে-

* পাবনা-১ আসনে(সাথিয়া ও বেড়ার একাংশ) জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, সাবেক তথ্যপ্রতিমণÍ্রী অধ্যাপক ড. আব সাইয়্যিদ। এই আসনের বর্তমান সাংসদ সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমণÍ্রী শামসুল হক টুকুর নানা অনিয়মের কারণে তার এ জনপ্রিয়তা বেশ জোড়ালো হয় বলে জানা যায়। তবে এ আসনে বিরোধী দলীয় প্রতিদন্দ্বী হতে পারে যুদ্ধাপরাধীর দায়ে মৃত্যু দ-ে দ-িত জামায়াতের সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর পুত্র ব্যাস্টিার নাজিব মোমেন।
* পাবনা-২ আসনে(সুজানগর ও বেড়ার একাংশ) আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. মির্জা আব্দুল জলিল ও বর্তমান এমপি আজিজুল হক আরজুকে নিয়ে বেশ গোলমেলে পরিবেশের কারণে এ আসনে সেরকম কিছু নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
* পাবনা-৩(চাটমোহর, ভাঙ্গড়া ও ফরিদপুর) আসনে সাধারণ কিছু জরিপমতে মকবুল হোসেন অধিক জনপ্রিয় ও যোগ্য বলে জানা যায়।
* পাবনা-৪(ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া) আসনে সাবেক এমপি, কবি ও লেখক- পাঞ্জাব বিশ্বাসের জনপ্রিয়তা বেশ জোড়ালো বলে এলাকাবাসীর দাবী। এ আসনের বর্তমান এমপি ভ’মিমণÍ্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু ও তার পরিবারের নানা দূর্নীতিমূলক কর্মকা-ের জন্য তার জনপ্রিয়তা আরো দীপ্তিময় হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এ আসনে প্রতিদন্দ্বী দল বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিএনপি চেয়ারপার্সন এর উপদেষ্টা, সাবেক ছাত্রনেতা হাববিুর রহমান হাবিব এর নাম উঠে এসেছে।
* পাবনা-৫(সদর) আসনে আওয়ামী লীগের সবাই পরপর দুইবার নির্বাচিত এমপি গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্সের দিকেই তাকিয়ে। তবে এ আসনে বিরোধী দলীয় প্রতিদন্দ্বী হিসেবে বিগত সকল নির্বাচনে জামায়াতে নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুস সোবহান থাকলেও এবার নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে তাকে অপসারণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি, পি্িরন্সপাল মাওলানা ইকবাল হুসাইনের নাম উঠে এসেছে। জনপ্রিয়তার দিক থেকে তিনি অনেকটাই উজ্জ্বল। বরাবরই এ আসনে নৌকার মাঝিদের বেশ শক্ত হতে হয় বলে জানা যায়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে