উত্তরাঞ্চলে নারী শিক্ষা মারাত্বকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

0
716

মোঃ সাইফুল্লাহ : ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার রুহিয়া থানার অর্ন্তগত ১ নম্বর রুহিয়া ইউনিয়নের মধুপুর মৌজায় গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা কলেজটি অবস্থিত। ঠাকুরগাঁও জেলা শহর থেকে বিসিক শিল্প নগরী হয়ে ১৬ কিলোমিটার উত্তরে আটোয়ারী উপজেলায় যাওয়ার সড়কের পার্শ্বে প্রাচীর বেষ্টিত পাখি ডাকা মনোরম পরিবেশে কলেজটি অবস্থিত। ইহা একটি স্বনামধন্য কলেজ।অত্র কলেজে প্রায় পাঁচশত(৫০০) ছাত্রী অধ্যায়ন রত রয়েছে। এর রয়েছে সুপরিসর বিশাল ক্যাম্পাস। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের মান সম্মত কলেজ গুলোর মধ্যে গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা কলেজ অন্যতম। অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলীর মাধ্যমে সব সময় শিক্ষার শত ভাগ মান নিশ্চিত করা হয় ।

প্রতিষ্ঠাকাল :- ০১/০১/১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দ।

ইতিহাস :- ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার রুহিয়া থানা ব্যবসা-বাণিজ্যের মূল কেন্দ্র। এখানে অসংখ্য ছোট-বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা রয়েছে। স্বর্গীয় গিন্নিদেবী আগরওয়াল একজন শিক্ষানুরাগী ছিলেন। তারই সুযোগ্য সন্তানগণ অত্র অঞ্চলের নারী শিক্ষাকে অগ্রসরমান করার লক্ষ্যে ১৯৯৭খ্রিঃ সালে সরকারি বিধি মেনে তাদের মায়ের নামে এই প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করেন।বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা শাখা চালু রয়েছে।অত্র প্রতিষ্ঠানটি ২০০৪ সালে এমপিওভুক্ত করা হয় এবং সরকারী অনুদানভুক্ত একটি দ্বিতল ভবন রয়েছ। প্রতিষ্ঠানটিতে বিগত কয়েক বছরে অর্থাৎ বর্তমান সরকারের আমলে আর কোন একাডেমিক ভবন, আইসিটি ভবন ও গবেষণার স্থাপন না করার কারণে নারী শিক্ষার বিস্তার মারাত্বকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কিন্থু প্রতি বছরই বিপুল সংখ্যক উদীয়মান শিক্ষার্থী অত্র প্রতিষ্ঠানে এডমিশন হয় এবং প্রতি বছরই পাবলিক পরীক্ষার আশানুরুপ কাংখিত ফলাফল অজিত হয়।অত্র প্রতিষ্ঠানে একাডেমিক ভবন, আইসিটি ল্যাব, গবেষণাগার এবং মহিলা হোস্টেল স্থাপন করার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সকল উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সুদৃষ্টি কামনা এলাকাবাসীসহ সকল শিক্ষক-কর্মচারী এবং ছাত্রীবৃন্দের।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে