ডিসি’র নেতৃত্বে সৈকতের বর্জ্যে অপসারণে ৫ শতাধিক পরিবেশ কর্মী

0
134

কায়সার হামিদ মানিক,
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে পরিচ্ছন্ন রাখতে ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষনে শুরু হয়েছে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম। বিশেষ করে সমুদ্র সৈকতে সম্প্রতি ভেসে আসা প্লাস্টিকজাত বর্জ্যে অপসারণের অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম। সৈকতের নাজিরারটেক পয়েন্ট থেকে হিমছড়ি পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পড়ে থাকা এই বর্জ্যে অপসারণ করা হবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টায় সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন-অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আশরাফুল আফসার, কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাজমুল হুদা, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) ইমরান জাহিদ, এনভায়রনমেন্ট পিপল এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ, ইয়েসের প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল মামুন, সোশ্যাল এক্টিভিস্ট ফোরামের সমন্বয়ক এইচএম নজরুল ইসলাম, দরিয়ানগর গ্রীন বয়েজের সমন্বয়ক পারভেজ মোশারফ প্রমুখ।

সোশ্যাল এক্টিভিস্ট ফোরামের সমন্বয়ক এইচএম নজরুল ইসলাম জানান-নাজিরারটেক থেকে হিমছড়ি পয়েন্ট পর্যন্ত এলাকার বর্জ্যে অপসারন প্রায় শেষ হয়ে গেছে। যা বাকী রয়েছে তা পরবর্তীতে লোক দিয়ে করানো হবে। তিনি বলেন-শুধু বর্জ্যে অপসারন নয়, এসময় মৃত কাছিম মাটিতে পুঁতে ফেলা, জীবিত কাছিমকে সাগরে অবমুক্ত করার কাজ করেছে প্রায় ৫ শতাধিক পরিবেশ কর্মী।

উল্লেখ্য-কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই বর্জ্যে অপসারণ কাজে অংশগ্রহন করে এখানকার ১১টি পরিবেশ সংগঠন।

এগুলো হল-এনভায়রনমেন্ট পিপল, ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি (ইয়েস), কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলন, টিম কক্সবাজার, কক্সিয়ান এক্সপ্রেস, দরিয়ানগর গ্রীণ ভয়েস, প্লাস্টিক ব্যাংক বাংলাদেশ, ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস, উইকেন, তারুণ্যের প্রতিবাদ ও পরিবেশ বিক্ষণ।

Leave a Reply