দাউদকান্দি উপজেলার মালাখালা গ্রাম থেকে,মোশাররফ হোসেন নামের এক ব্যাক্তির গরু চুরির ঘটনা ঘটে।

48
610

কচুয়া প্রতিনিধিঃ গত বুধবার রাত আনুমানিক ১২ টা থেকে ১ টার মধ্যে দাউদকান্দি উপজেলা মালাখালা গ্রামের মোশাররফ হোসেন নামে এক ব্যক্তির ঘর থেকে একটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে।

গরুর মালিক মোশাররফ হোসেন বলেন,আমি রাত ১২টার পর গরুটিকে দেখে ঘরে ঘুমাতে যাই।ঘুমিয়ে যাওয়ার পড় সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি, আমার গরুটি নাই।

আমি গরু না দেখে গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে গরুটি খোঁজাখোজি করতে থাকি,গরুটির কোথাও কোন সন্ধ্যান পাইনি। গরুটি না পেয়ে আমি অস্তির হয়ে যাই।

আমি গরুটি খোঁজাখোজির মধ্যেই, গোপন সূত্রে খবর পাই,বারৈয়ারা পাটোয়ারি বাড়ীতে একটি গরু পাওয়া গেছে। গিয়ে দেখি আমার গরুটিই ঘরে বেঁধে রেখেছে।

গরুটি দেখে আমি চিনে বলি,এই ঘরটা কার, শুনতে পেলাম এই ঘরটা মোশারফের ঘর।আমি গিয়ে মোশারফের বউকে জিজ্ঞেস করলে বলে,এটা আমরা কিনে এনেছি।আমি তাদের সাথে কথা কাটাকাটির সময় পাড়ার অনেক লোকজন চলে আসে।

আমি যখন বলি এটা আমার গরু,তখন এক পর্যায়ে মোশারফের ছেলে এসে বলে, আপনার গরুয যদি হয় তাহলে ১০০০ টাকা আমাকে দিয়ে নিয়ে যান।

আমি তখন বলি তুমি এই গরুটা কোথায় পাইছ।আমাকে বলে গরু এটা আমরা ছুটে এসে দেখে,আমি গরুটিকে পাইয়া এনে বেঁধে রেখেছি।

আমি তাদের সাথে কোন ঝগড়া না করে,বারৈয়ারা ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আলাউদ্দিন মেম্বারকে বিষয়টি জানাই।

খবর পেয়ে সাচার পুলিশ ফাঁড়ির সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ আবু হানিফ ও ওয়ার্ডের মেম্বার আলাউদ্দিন পাটোয়ারি ও গ্রামের নেতৃত্ব স্হানীয় লোকজন এসে আমার গরুটিকে উদ্ধার করে,আমার হাতে তুলে দেন।

পরবর্তিতে আলাউদ্দিন মেম্বার ও পাটোয়ারি বাড়ির নেতৃত্ব স্হানীয় রেনু মিয়া প্রাক্তন মেম্বার ও ডাঃজালাল বলেন,যেহেতু তাদের কাউকে এখন উপস্তিত এসে পাইনাই,আমরা সবাই বসে এটার সমাধান করে দিব।

48 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে