করোনা পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবেলায় ওয়েবিনারে বিশেষজ্ঞদের আলোচনা

0
70

ডি এইচ রনি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ
ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ অরগানাইজেশান কর্তৃক আয়োজিত,
জাতীয় বাজেট ২০২০-২১শীর্ষক এর অনলাইন সেমিনার (ওয়েবিনার) ২১মে,২০২০,সকাল১১টায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,
অষ্ট্রেলিয়ার ডিকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক ড. এ কে এম মুক্তারুল ওয়াদুদ,সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সি.পি.ডি) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান,
বিশিষ্ট ব্যাংকার ও লেখক মোঃ মাজেদুল হক।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ অর্গানাইজেশনের কার্য নিবার্হী পরিচালক মো: তানজিল হোসেন।

উক্ত সেমিনার আয়োজন এবং প্রযুক্তি সহায়তায় ছিলেন ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ অর্গানাইজেশনের সহকারী গবেষক হেদায়েতুল ইসলাম।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ(সিপিডি) শীর্ষক রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, উক্ত সেমিনারে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্যখাত ২০২০-২১ সালের বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোর সাথে সাথে বরাদ্দকৃত অর্থ যেন যথাযথভাবে খরচ করে সংক্রমণ ও চিকিৎসা সেবা জনগণকে দেওয়া হয় সে বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি আরো বলেন। তিনি আরো বলেন, প্রায় পাঁচ কোটি দরিদ্র জনগণের খাবার নিশ্চিত করতে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ মানুষকে সম্পদ প্রদান করতে হবে, এজন্য প্রায় ১ কোটি ৯০ লক্ষ লোকের খাবার সংস্থানের জন্য বিশেষ প্যাকেজ গ্রহণ করা প্রয়োজন রয়েছে।তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন স্বাধীনতার পর আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়েছে কিন্তু কর আরহন বাড়েনি ও সম্পদের অপচয় বেড়েছে।করোণা পরিস্থিতির মধ্যে ঘূর্ণিঝড় আম্পান এর ক্ষয়ক্ষতি হিসেব করে মানুষের জীবন ও জীবিকা রক্ষার জন্য কৃষি সহ সকল খাতে দুর্যোগ মোকাবেলা করতে বা জেট বরাদ্দ থাকতে হবে।

ডঃ একেএম মুক্তারুল ওয়াদুদ বলেন, সংকটকালীন সময়ে অর্থ সংগ্রহের জন্য করোনা লেভি নামে সক্ষম ব্যক্তিদের ওপর করোনা লেভি নামক কর আরোপ করা যেতে পারে। এর সাথে বাংলাদেশের শিল্প কল কারখানার শ্রমিকদের খাবার ও সেবা প্রদানের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখতে হবে৷ তিনি আরো বলেন, প্রয়োজনে জনগণের হাতে টাকা প্রদানের জন্য বাজেট ঘাটতি করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আই,এম,এফ) হতে ঋণ নেওয়া যেতে পারে। তিনি আরো বলেন ৫-৬ মাসের মধ্যে অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হলে সরকারি কর সংগ্রহের সমস্য অনেকাংশে কাটানো সম্ভব হবে।
ড. মোক্তারুল ওয়াদুদ বলেন, অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ কমানো ঠিক হবে না কারন অবকাঠামো উন্নয়ন ব্যয় কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
বিশিষ্ট লেখক ও ব্যাংকার মোঃ মাজেদুল হক বাংলাদেশের প্রায় ১৭ কোটি জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ও কৃষকদের কৃষি পণ্য ভর্তুকি প্রদানের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন শিক্ষা খাতে ভার্চুয়াল শিক্ষা প্রচলন নেই জন্য প্রাথমিক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা বাড়িয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করতে হবে।

Leave a Reply