লাইনে দাঁড়িয়ে পণ্য কিনছেন শিক্ষামন্ত্রী

0
127
চাঁদপুর প্রতিনিধি:
সাধারণ মানুষের মতো লাইনে দাঁড়িয়েই পণ্য কিনেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মন্ত্রীকে লাইনে দাঁড়ানো দেখে ম্যানেজার এগিয়ে আসলেও বিনয়ের সাথে তা প্রত্যাখান করেন তিনি। তার এই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ম রতন কুমার মজুমদার লিখেছেন, আইন মেনে চলা একটি সংস্কৃতি। এ বিষয়টি কাউকে শিখিয়ে দিতে হয় না। নিজের বিবেক বুদ্ধি থেকে এই বিষয়টি আসে। আমাদের প্রিয় আপা যেখানে গেছেন সেখানেই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। এয়ারপোর্টে দেখেছি তিনি লাইনে দাঁড়িয়ে বোর্ডিং কার্ড নিয়েছেন। অন্য জায়গায়ও দেখেছি। সবখানেই তিনি এইভাবে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে নিজেকে উপস্থাপন করেন। আজও তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। বারবার অনুরোধ করার পরও তিনি আইনটি ভঙ্গ করেননি।

বিষয়টি নিয়ে, সাংবাদিক রাশেদ শাহরিয়ার পলাশ তার ফেইসবুকে লিখেছেন, কিছু জিনিস নিয়ে গর্ব করা যেতেই পারে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী কিংবা জার্মানির চ্যান্সেলর অথবা বিল গেটস লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার কিনতেই পারেন। কারণ তারা জন্মগতভাবেই সেই সংস্কৃতিতে বড় হয়েছেন। অপরকে সম্মান করা দেখেই শিখেছেন। কিন্তু বাংলাদেশের পরিবেশে বড় হওয়া, এখনকার রাজনীতিতে অভ্যস্ত মানুষ শুধু সুযোগ নিতেই শিখেন। অপরের অধিকারকে সম্মান করার মানুষ খুব একটা নেই। তার মধ্যেই ব্যতিক্রম শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি।

মিনা বাজারে প্রবেশের জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছেন। ম্যানেজার মন্ত্রীকে দেখে তাকে আগে যাওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি সেই অনুরোধ বিনয়ের সাথে প্রত্যাখান করেছেন। আমার বাড়ি চাঁদপুর বলে গর্ব একটু বেশিই হচ্ছে।

সাংবাদিক জিএম শাহীন লিখেছে, সরকারের সফল শিক্ষামন্ত্রী ও সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা. দীপু মনি ।মানবিক এবং সিম্পল জীবন যাত্রায় বিশ্বাসী গুনী এ মানুষ আমাদের দীপু আপা। চাঁদপুরের রত্ন। আমাদের গর্বের ধন।

তরুন সাংবাদিক রুদ্র ইমরান লিখেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছেন, এবার আপনি মিনাবাজারে প্রবেশের জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছেন। সত্যিই আমরা চাঁদপুর-৩ আসনের ভোটার হিসেবে গর্ব করে বলতে পারি যে, আমরা একটি সত্যিকারের মানুষ পেয়েছি। এই আসনে চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলা স্বাধীনতার পর উপজেলা আপনার মতন কোনো সংসদ সদস্য আসেনি। হাইমচরের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন। আমরা কখনো ঋণ শোধ করতে পারব না।

ছবিতে আপনারা যাকে দেখেছেন, তিনি হলেন ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ কন্যা, এই আসনে স্বাধীনতার পর প্রথম ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ সালে বিপুল ভোটে নৌকা প্রতিকে বিজয়ী, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী, চাঁদপুর হাইমচর মাটি ও মানুষের প্রিয় ব্যক্তি ডাক্তার দীপু মনি এমপি।

প্রসঙ্গতঃ করোনার কারণে আউটলেট একসাথে ২৫ জনের বেশি থাকতে পারেন না। তাই বাইরে লাইনে দাঁড়াতে হয়। একজন বের হলে নতুন আরেকজন প্রবেশের সুযোগ পান।

Leave a Reply