লালমনিরহাট ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালকের বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীর মামলা

0
50

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ-
লালমনিরহাট ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ড. ওমর ইবনে হাসানের বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীর অভিযোগে সদর মামলা দায়ের করা হয়েছে। উপ-পরিচালক ড. ওমর ইবনে হাসানের বাসার কিশোরী গৃহপরিচালিকা মা রিনা বেগম বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। ড. ওমর ইবনে হাসানের বাড়ি, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার বয়ড়া গ্রামের মৃত: ইমাম হাসান এর পুত্র।

মামলা বিবরণে জানা গেছে, লালমনিরহাট শহরের বিডিআর গেট, ষ্টেশন রোডস্থ বড় মসজিদ সংলগ্ন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ওমর ইবনে হাসান। তিনি উক্ত অফিসে যোগদান করার সুবাদে শহরের খুটামারা বটতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। এখানের তার পরিবার নেই। উপ-পরিচালক ওমর ইবনে হাসানের বাসায় কিশোরী গৃহপরিচালিকা কাজ করেন।

উপ-পরিচালকের পরিবার নিজ বাড়ী ময়মনসিংহ থাকার সুবাধে কিশোরী গৃহপরিচালিকা উপর ওমর ইবনে হাসানের কু-নজর পড়ে। এমনকি তাকে কু-প্রস্তাব দেন। তারপরেও গৃহপরিচালিকার বাবাকে অটো কিনে দেওয়ার কথা বলেও অর্থিক প্রলোভন দেয়। এতেও গৃহপরিচালিকা রাজী হয়নি।

শুক্রবার (১ মে) কিশোরী গৃহপরিচালিকা বাসায় কাজের জন্য আসলে তাকে জোর পূর্বক বাথরুমে নিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে ধর্ষণের চেস্টা করেন। এ সময় কিশোরী গৃহপরিচালিকা আত্মচিৎকারে তার নানীসহ এলাকার লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার অপচেস্টা লিপ্ত হন উপ-পরিচালক ওমর ইবনে হাসান। গৃহপরিচালিকার মা বিভিন্ন স্থানে বিচার দিয়ে বিচার না পেয়ে অবশেষে লালমনিরহাট সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

সদর থানার পুলিশ অভিযোগ তদন্ত করে (১৩ মে) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে লালমনিরহাট ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ওমর ইবনে হাসানের বিরুদ্ধে মামলাটি এজাহারভুক্ত করে। যার মামলা নং-৩১, তারিখ ১৩/৫/২০২০।

এ ব্যাপারে লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহফুজ আলম জানান, লালমনিরহাট ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ওমর ইবনে হাসান এর বিরুদ্ধে সদর থানায় ধর্ষণের চেষ্টা একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। উপ-পরিচালকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ওমর ইবনে হাসান বলেন, আমি শুধু ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক নই, আমি কৃষিবীদ ড. ওমর ইবনে হাসান একজনেই। আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে তার আমার কাছে চাঁদা দাবী করেন। চাঁদা পেয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।

Leave a Reply