লালমনিরহাটে করোনা সঙ্গে লড়ে বাড়ি ফিরলেন পিতা-পুত্র

0
540

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, লালমনিরহাট প্রতিনিধি
লালমনিরহাট সদর উপজেলায় নারায়ণগঞ্জ ফেরত প্রথম করোনা আক্রান্ত শ্রমিক কামরুল ইসলাম ও তার সংস্পর্শে আসা ৭ বছরের শিশু পুত্র সালমান হোসেন ২০ দিন করোনা সঙ্গে লড়ে বাড়িতে ফিরলেন। রবিবার ০৩ মে লালমনিরহাট সদর হাসাপাতেলর সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিক ভাবে তাদেরকে ছাড় পত্র দেওয়া হয়।

এ সময় সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা: সিরাজুল ইসলাম জানান, তাদের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল পর পর দুইবার নেগেটিভ আসায় আনুষ্ঠানকি ভাবে ছাত্রপত্র দেওয়া হল। গত ১১ এপ্রিল প্রথম করোনা ভাইরাসের উপসর্গ কামরুল ইসলাম’র শরীরে পাওয়া যায়। এর পর তার পরিবারের সকলের নমুনা পরিক্ষা করলে তার সংস্পর্শে আসা ৭ বছর বয়সী শিশু পুত্র সালমান হোসেনের শরীরেও করোনা ভাইরাস ধরা পড়ায় তাদেকে আইসোলেশন কেন্দ্রে সার্বিক চিকিৎসা প্রদান করা হযেছে।

লালমনিরহাট সিভির্ল সার্জন ডা: নিমর্লেন্দু রায় জানান, লালমনিরহাট জেলায় বিদেশ ফেরত ২শত ৫৮ জন হোমকোয়ারেন্টাইন শেষ করেছে ও বর্তমানে ৩৫ জন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে আছে। দেশের অভ্যান্তরের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত করোনা ভাইরাস সন্দেহে ২শ ১১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর করোনা ল্যাবে প্রেরন করা হয়েছে। তারমধ্যে ১ শ ৫২ জনের ফলাফলের মধ্যে ৩ জনের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায়। বর্তমানে আদিতমারী উপজেলার ১ জন আইসোলেশনে আছে।

ছাড়প্রত্র দেওয়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ চেয়াম্যান এ্যাড. মতিয়ার রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এন এম নাছিরুদ্দিন, লালমনিরহাট সদর হাসাপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা: মঞ্জুর মোরর্শেদ, করোনা রোগীর চিকিৎসক ডা: মাহমুদুল হাসন। ছাড়পত্র প্রদান শেষে করোনা জয়ী কামরুল ও তার পুত্র সালমানকে জেলা পুলিশ, সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, কর্তব্যরত ডাক্তার, নার্স ও সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেন এর পক্ষ্য থেকে খাদ্য সামগ্রী ও আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে