লিটল স্টার  কিন্ডারগার্টেন অভিভাবক  সমাবেশ অনুষ্ঠিত 

0
771

‘শিক্ষার জন্য এসো, সেবার জন্য বেরিয়ে যাও’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়ন, লিটল স্টার কিন্ডারগার্টেন  অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি ) সকাল ১০ টায় বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের  সামনে অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম (লিটন)  সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন, ইলিয়াছ হোসেন আকন্দ পরিচালক,  লিটল স্টার কিন্ডারগার্টেন।
অভিভাবক সভা,
বিদ্যালয়ের ভালো ফলের জন্য কেবল শিক্ষার্থী নয়, অভিভাবকদেরও ভূমিকা রয়েছে।
বছরের শেষটা শিক্ষার্থীদের বেশ ভালোই কাটে। বার্ষিক পরীক্ষার পর লম্বা ছুটি। এরপর ফলাফল। আবার নতুন বই নিয়ে নতুন ক্লাসের শুরু। এ সময়টায় অভিভাবকরাও থাকেন বেশ ব্যস্ত। সন্তানের পরীক্ষা, ফলাফল আর নতুন সেশনে ভর্তি ইত্যাদি নিয়ে ভাবনায় থাকেন। বার্ষিক ফল ঘোষণার সময় অভিভাবক সমাবেশ আয়োজন করে স্কুলগুলো। অন্তত বছরের এই একটি দিনেই বিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ হয় অধিকাংশ অভিভাবকের।
বিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষার্থীরই শুধু নয়, যোগাযোগ থাকতে হয় অভিভাবকদেরও। অভিভাবকরাও নানা পরামর্শ দিতে পারেন শিক্ষার মানোন্নয়নে। কিংবা বিদ্যালয়ের নানা অসংগতি অনেক সময় অভিভাবকদের চোখেই হয়তো ধরা পড়ে। সে জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে অভিভাবকদেরও সম্পর্ক থাকতে হয়। বিদ্যালয়ের সঙ্গে অভিভাবকদের সম্পর্ক জুড়ে দিতে পারে অভিভাবক সভা। কিন্তু কয়টি স্কুলে নিয়মিত অভিভাবক সভা হয়?
শিক্ষার্থীর মানোন্নয়নের জন্য অভিভাবক-বিদ্যালয় মতবিনিময় বেশ জরুরি। তবে বছরের শুরুতে এক দিন ছাড়া অন্য সময়ে অভিভাবক সভার আয়োজন হয় না অধিকাংশ বিদ্যালয়ে।
পড়ালেখার ব্যাপারে শিশু-কিশোরদের আগ্রহ কেমন সেদিকে নজর থাকে শিক্ষকদের। শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ক্লাসের পড়া তৈরি করে নিয়ে এলেও পড়ালেখার ব্যাপারে আগ্রহ কেমন তা বুঝতে পারেন একজন অভিভাবক। পড়ালেখার প্রতি আন্তরিকতা কতটুকু তা অভিভাবকরা ভালো বুঝতে পারেন। বিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মধ্যে বীজ বপন করে দেয়। সেই বীজকে ফসলে রূপান্তর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দায়িত্বটা অভিভাবকদের ভাগেই বেশি পড়ে। এ জন্যই শিক্ষকদের সঙ্গে অভিভাবকদের মতবিনিময় হওয়া প্রয়োজন
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ক্ষেত্রে গুরুত্ব প্রদানের জন্য অভিভাবকদেরও অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। শিক্ষার্থীরা পড়ালেখায় ফাঁকি দিচ্ছে কিনা সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে। বিদ্যালয়ের পড়ালেখার পাশাপাশি বাড়িতে পড়ালেখা করছে কিনা সে দিকে নজর দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় ফাঁকি দেয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে ফেসবুক, ইন্টারনেট, ইউটিউব, ইত্যাদি। তারা এ দিকে আকৃষ্ট হয়ে পড়লে আগামীতে পরীক্ষার রেজাল্ট ভালো করা সম্ভব না। তাই এসবের কুফল সম্পর্কে তাদের ধারণা দিতে হবে।
ভবিষ্যত দেশ গড়ার লক্ষ্যে প্রজন্মকে সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা পিছিয়ে পড়ব। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত একজন ছাত্র কি করে, কোথায় যায় সে দিকটির প্রতি নজর দিতে  অভিভাবকের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা
এ সময় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও  অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
হাসান  মাহমুদ, টাঙ্গাইল

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে