জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১৩৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৬.৪৯ লক্ষ টাকা জরিমানা

0
651

২৯ অক্টোবর ২০১৯ খ্রি:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়াধীন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় ও জেলা
কার্যালয়ের ৫৬ জন কর্মকর্তার নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর, চট্টগ্রাম মহানগর, মুন্সীগঞ্জ, ময়মনসিংহ,
গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, শেরপুর, ফরিদপুর,
নেত্রকোণা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, কক্সবাজার, ফেনী, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ,
জয়পুরহাট, খুলনা, নড়াইল, যশোর, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, সিলেট, মৌলভীবাজার,
হবিগঞ্জ, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও ঠাকুরগাঁও-এ বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা
করা হয়।
ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক জনাব মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার, সহকারী পরিচালক
জনাব মোঃ মাসুম আরেফিন, জনাব ফাহমিনা আক্তার, জনাব মোঃ মাগফুর রহমান, জনাব ইন্দ্রানী রায় ও
ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জনাব মো: আব্দুল জব্বার মন্ডল কর্তৃক হাজারীবাগ,
তেজগাঁও, চকবাজার, শাহবাগ ও রামপুরা এলাকায় বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। বাজার
তদারকিকালে পণ্যের মূল্যের তালিকা প্রদর্শন না করার অপরাধে 'সূচনা জেনারেল স্টোর', 'মিম
জেনারেল স্টোর', 'ভূইয়া স্টোর', 'বিসমিল্লাহ স্টোর', 'মায়ামী স্টোর', 'সাত্তার স্টোর', 'শাহীনুর স্টোর',
'লিটন স্টোর', 'রিপন স্টোর' কে যথাক্রমে ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা, ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা,
২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা, ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা, ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা, ৫০০/- (পাঁচশত)
টাকা, ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা, ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা, ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা, পণ্যের মোড়কে
এমআরপি লেখা না থাকার অপরাধে 'আনন্দ বেকারী', 'আনন্দ বেকারী এন্ড সুইটস', 'বিক্রমপুর স্টোর'
কে যথাক্রমে ৩,০০০/- (তিন হাজার) টাকা, ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা, ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা,
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য পণ্য তৈরির অপরাধে 'মোল্লা বিরিয়ানী হাউজ' ও 'ইউসুফ কনফেকশনারী'
কে যথাক্রমে ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা, ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা, মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বা ঔষধ
বিক্রির অপরাধে 'হক এন্ড সুইটস' ও 'মোল্লা ফার্মেসী' কে যথাক্রমে ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা ও
১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা, ওজনে কারচুপির অপরাধে 'শরিয়তপুর চাইনিজ' ও ' হালিম রাইস স্টোর' কে
যথাক্রমে ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা ও ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা এবং খাদ্য পণ্যে নিষিদ্ধ দ্রব্যের
মিশ্রণের অপরাধে 'কুমিল্লা রাইস স্টোর' কে ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়। অর্থাৎ
গত ২৯ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে বিভিন্ন অপরাধে সর্বমোট ৬৯,৫০০/- (ঊনসত্তর হাজার পাঁচশত)
টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।
এছাড়া দেশব্যাপী ৪৮টি বাজার তদারকি কার্যক্রমের মাধ্যমে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য পণ্য
তৈরি, পণ্যের মোড়কে এমআরপি লেখা না থাকা, মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বা ঔষধ বিক্রয়, খাদ্য পণ্যে
নিষিদ্ধ দ্রব্যের মিশ্রণ, প্রতিশ্রুত পণ্য বা সেবা যথাযথভাবে বিক্রয় বা সরবরাহ না করা, ভেজাল
পণ্য বা ঔষধ বিক্রয়, বাটখারা বা ওজন পরিমাপক যন্ত্রের কারচুপি, ধার্য্যকৃত মূল্যের অধিক মূল্যে
পণ্য বিক্রয়, সেবা গ্রহীতার জীবন বা নিরাপত্তা বিপন্নকারী কার্যকলাপ, ওজনে কারচুপি, সেবা

প্রদানে অবহেলা ইত্যাদি দ্বারা সেবাগ্রহীতার অর্থ, স্বাস্থ্য, জীবনহানি ইত্যাদি ঘটানো এবং পণ্যের
মূল্যের তালিকা প্রদর্শন না করার অপরাধে ১০৮টি প্রতিষ্ঠানকে ৫,৫৪,২০০/- (পাঁচ লক্ষ চুয়ান্ন হাজার
দুইশত) টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।
অন্যদিকে লিখিত অভিযোগ নিষ্পত্তির ধার্য্যকৃত মূল্যের অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রি ও প্রতিশ্রুত
পণ্য বা সেবা যথাযথভাবে বিক্রয় বা সরবরাহ না করার অপরাধে ৭টি প্রতিষ্ঠানকে ২৫,৪০০/- (পঁচিশ
হাজার চারশত) টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় এবং আইনানুযায়ী ৭ জন অভিযোগকারীকে জরিমানার
২৫% হিসেবে তৎক্ষণাৎ ৬,৩৫০/- (ছয় হাজার তিনশত পঞ্চাশ) টাকা প্রদান করা হয়।
গত ২৯ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে সর্বমোট ৫৬টি বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা ও ৭টি
লিখিত অভিযোগ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ১৩৪টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬,৪৯,১০০/- (ছয় লক্ষ ঊনপঞ্চাশ
হাজার একশত) টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ,
আর্মড পুলিশ ব্যাটলিয়ন, সিভিল সার্জন, মৎস্য কর্মকর্তা, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, বাজার
কর্মকর্তা, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, শিল্প ও বণিক সমিতির প্রতিনিধি এবং ক্যাবের সদস্যগণ এসব
তদারকি কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করেন। তদারকিকালে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জনগণের মাঝে
লিফলেট ও প্যাম্পফ্লেট বিতরণ করা হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে