ক্যামেলিন

0
650

ছোট গল্প ক্যামেলিন:-

সুজাতা দাস(কোলকাতা)
বাস থেকে যখন নামলো সে ইকোপার্কের সামনে তখনও সূর্য অস্ত যায়নি, শেষ বিকেলের রোদটা একটু জ্বালা ধরাচ্ছে শরীরে-
যদিও এটা আশ্বিনের শেষ আর কার্তিকের শুরু তবুও রোদের তাঁতটা গা পোড়াচ্ছে-
ছাতাটা বার করে একবার আকাশের দিকে তাকিয়ে নিল হাতটা কপালের উপরে রেখে, তারপর ছাতাটা খুলে নিলো অনামিকা-
আরও অনেকটা পথ যেতে হবে, মনে মনে ভেবে তাড়াতাড়ি পা চালালো সে-
নিজের জীবন নিয়ে সে একটুও আফসোস করেনা কারন সে সময়কে মানতে জানে-
একসময়ের বিখ্যাত পরিবারের মেয়ে ছিল সে, নিজে পছন্দ করে বিয়ে করেছিল কমলেশ চৌধুরীকে-
ছন্দপতন ঘটেছিল সেই সময় থেকেই জীবনে, মেনে নেয়নি বাড়ির কেউ কোনোদিনই আর অনামিকাকে-
মেনে নিয়েছিল কমলেশের নিম্নবিত্ত পরিবার অনামিকাকে, একটা মিষ্টি হাসি সবসময় তার মুখে লেগে থাকতো শত কষ্টেও-
কখনও ভুল করেও তার ব্যবহার আর ব্যক্তিত্বে ফুটে ওঠেনি ফেলে আসা দিন-
সকলের মনমতো নিজেকে তৈরী করেছিল যাতে কমলেশের পরিবার দুঃখ না পায়-
তারপর একদিন কোল জুড়ে এলো অমু (অমলেশ চৌধুরী) পরিবারে আনন্দের বান ডাকলো কমলেশের নতুন চাকরি হলো বিদেশে-
খুব কেঁদেছিল অনামিকা সেই সময় আড়ালে, একমাত্র এই লোকটির জন্য সে সব ছেড়ে চলে এসেছিল একদিন, কারন সে ছিল ভালোবাসা-
সেও ছেড়ে চলে যাচ্ছে সাত সমুদ্র তেরো নদীর পাড়ে, কেন যেন মনটা খারাপ হয়ে যাচ্ছে বারে বারে-
কমলেশ জড়িয়ে ধরে বলতো আরে আমি ছয় মাস বাদে বাদেই আসবো, তোমাদের সুখের আর ভালো থাকার জন্যই তো যাচ্ছি অনু, কম তো কষ্ট করলাম না-
ছেলেটাকে তো ভালো করে মানুষ করতে হবে বলো-
তুমি আমার শক্তি তুমিই যদি ভেঙেপড় তাহলে আমি যাই কী করে-
সবদিক গোছাতে গোছাতেই যাওয়ার দিন চলে এলো কমলেশের, নিজের শেষ সোনার টুকরোটাও তুলে দিল হাসিমুখে, কমলেশের যাতে কোনও অসুবিধা না হয় প্রাথমিক ভাবে ওখানে গিয়ে-
কমলেশের মা বাবা আর সন্তানের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলো অনামিকা খুশি মনে কারন তারা ছাড়া আর কেউ ছিলনা এই দুনিয়াতে-
কিন্তু কমলেশ চৌধুরী পাল্টে গেল ওখানকার স্বর্ণকেশী মিস এঞ্জেলিনার প্রেমে
পাগল হয়ে, ভুলে গেল কোলকাতার এক ভাড়া বাড়ির দুই কামরার ঘরে ফেলে এসেছে স্ত্রী পুত্র মা বাবাকে-
ভুলে গেল একদিন ভালোবেসেই অনামিকাকে বিয়ে করেছিল, ভুল গেল তাকে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি-
এর নামই বোধহয় জীবন ভাবলো মনে মনে  অনামিকা-
কমলেশ চলে যাবার পর কিছুদিন টাকা পাঠাতো প্রায় প্রতি মাসেই বছর খানেক পর থেকেই শুরু হলো অনিয়মিত, চিঠিও আর ঠিক মতো আসতো না একটা ভয় ভিতরটাকে ভেঙে চুরমার করে দিতে থাকলো অনামিকার, ভাবত সে আবার কী সে ভুল করলো কমলেশকে বিদেশে পাঠিয়ে-
একদিন একটা চিঠি এলো বিদেশ থেকে কমলেশের, ডিভোর্স চাই অনামিকার থেকে-
চিঠিটা হাতে নিয়ে একটু অবাক হলো অনামিকা, চোখের কোনটা ভিজে উঠলো এই কথাটা মনে করে যে এই লোকটির জন্যে সে মা বাবা সমাজ সংসার ভাই বোন পরিজন সব এক কথায় ত্যাগ করেছিল!!!
ভাবতেও অবাক লাগে আজ, এতো স্বার্থপর মানুষ হতে পারে!! নিজেকেই যেন জিজ্ঞাসা করলো মনে মনে অনামিকা-
সই করার মূহুর্তে শাশুড়ি মা বাঁধা দিলেন বললেন অনু সই করবি না তুই তোর ছেলের দিব্বি দিলাম তোকে আমি-
তারপর কয়েক বছর হলো আর যোগাযোগ রাখেনি কমলেশ কোনও এ’দিকের সাথে-
ততদিনে অনামিকা একটা বেসরকারী স্কুলে  চাকরি পেয়ে গেছে-
খুব সচ্ছল না হলেও কিছুটা সামলে উঠেছে সে, কমলেশের বাবাও চলে গেছেন বছর দুয়েক হলো খবর দেওয়া হয়েছিল কমলেশকে কিন্তু অফিসের অজুহাত দেখিয়ে আসেনি-
একা হাতেই সব সামলেছে অনামিকা, ছেলেকে একটা ইংরেজী মাধ্যম স্কুলে ভরতিও করিয়েছে কারন সে মানুষ করবে একাই অমুকে-
অমুর জন্য সে চিন্তা করেনা সব তার ঠাকুরমা করেন, শুধু পড়াশুনাটাই সে দেখে-
খুব নেওটা সে ঠাকুরমার আর অনামিকাও তাতে নিশ্চিন্ত-
কিন্তু মাঝে মাঝে কমলেশের মা অনামিকার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকেন আর নিজের মনেই দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন হয়তো ভাবেন তার থেকেও অভাগী আছে এই দুনিয়াতে-
অনেক বছর পেরিয়ে আজ অমু মানে অমলেশ চৌধুরী ডা: অমলেশ চৌধুরী হয়ে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চাকরিতে জয়েন করলো-
সেই খুশির মুহুর্তে একটা চিঠি এলো বিদেশ থেকে অনামিকার কাছে, খুব অবাক হলো মনে মনে-
কাউকে কিছু বলল না সে, কারন ঐ দিন বাড়িতে একটা খুশির আবহাওয়া ছিল-
বাড়িতেই একটা গেট টুগেদার মতো হলো ছেলের বন্ধুরা তাদের বাবা মা ঘরোয়া একটা ছোট্ট অনুষ্ঠান বাহুল্যতা ছাড়াই-
সবাই চলে যাবার পরে ঘরে এসে বসলো অনামিকা, সারাদিন কাজকর্মের ফাঁকে ফাঁকে চিন্তা করেছে কে পাঠালো এই চিঠিটা-
মাঝে মাঝেই হারিয়ে যাচ্ছিল সে নানা চিন্তায় কারন চিটিটা অন্য ঠিকানা থেকে এসেছে!!
কয়েক যুগ পার হয়ে গেছে কমলেশ আর ফেরেনি কোনও যোগাযোগ ও করেনি-
শাশুড়িমা যখন মারা গেলেন তখন তিনি অনামিকা কে দিয়ে বলিয়ে নিয়েছিলেন উনার মুখে আগুন অনামিকাই দেবে-
তাই সে আর খবর দেয়নি কমলেশকে কোনও, কাজও সে করেছে ছেলেকে নিয়ে একা-
আজ অনামিকা নিজের রুটিন থেকে সরে এলো চিঠিটা দেখার আগ্রহে-
রাতের বহু আকাঙ্ক্ষিত স্নান পর্বটিও আজ বন্ধ রইলো, যেটা তার বরাবরের অভ্যাস বারোমাসের-
তাড়াতাড়ি দরজাটা বন্ধ করে আলমারি খুলে শাড়ির ভাঁজ থেকে দুপুরে আসা চিঠিটা বার করলো অনামিকা-
নামটা পড়লো সে এটা কমলেশের পাঠানো নয়, একটু অবাক হলো ভ্রূ যুগল কুঁচকে গেল আপনা হতেই-
খানিকক্ষণ খামটার দিকে তাকিয়ে থাকলো  সে তারপর আস্তে আস্তে খুলতে থাকলো চিঠিটা-
হাতে এলো একটা বছর পনেরো ষোলো বয়সের মেয়ের ছবি যার মুখের আদল কমলেশের কথা মনে করিয়ে দিল অনেক দিন বাদে-
খুব মিষ্টি একটা মেয়ে টুকটুকে ফর্সা এক গুচ্ছ সোনালি চুল অনেকটা বার্বি ডল-
অনেকক্ষণ তাকিয়ে দেখলো সে ছবিটা তার পর চিঠির দিকে চোখ রাখলো অনামিকা-
পুরোটাই ইংরেজিতে লেখা, যার সারাংশ-
প্রথমেই সম্বোধন অনামিকা দিদি-
আমি এঞ্জেলিনা লুইস চৌধুরী, হয়তো অবাক হবেন-
আমি অসহায় আজ, তাই আপনার কাছে আমার আর কমলেশের সন্তান ক্যামেলিন কে পাঠালাম-
আপনি নিজের সন্তান মনে করে তাকে মানুষ করুন না হলে সেও হয়তো আমাদের মতো অসংযমী জীবনকেই বাছবে-
আজ কমলেশ নিজের কৃতকর্মের জন্য ভুগছে সাথে অংশীদার হিসেবে আমিও-
আমাদের ক্ষমা করে দেবেন দিদি না হলে মরেও হয়তো শান্তি পাবো না দুজনেই –
আমাদের সময় অনেক কম দিদি তাই তাড়াতাড়ি ওকে আপনি গ্রহণ করবেন এই আশা রাখি-
নিচে একটা ঠিকানা দেওয়া রয়েছে –
এখানেই  ক্যামেলিন অবস্থান করছে আপনি ওকে আপনার বিরাট হৃদয়ের মাঝে একটু জায়গা দিন-
                         এঞ্জেলিনা
চিঠিটার পাঠানোর তারিখ দেখে একটু চমকালো অনামিকা প্রায় দুই মাস আগে পাঠিয়েছে এই চিঠিটা-
তাহলে তো এসে গেছে সে কোলকাতায়!!!খোঁজ করলো না কেন তাদের, কমলেশ কী তার বাড়ির ঠিকানা দেয়নি তাকে?
সারারাত নানা চিন্তা করতে থাকলো সে কিছু অভিমান কিছু রাগ সব একসাথে জড়াতে থাকলো নিজের অজান্তেই-
মাঝে আবছা ঘুমের মাঝে শাশুড়িমাকে দেখলো অনামিকা, বলছেন তুই পারবি জয় করতে হারাতে দিস না ওকে অনু-
মা বলে ডেকে উঠেছিল অনামিকা যখন বুঝলো স্বপ্ন তখন মনে মনে বলল মা আমাকে শক্তি দিও যেন খুজে পাই ওকে-
খুব ভোরেই স্নান করে ছেলের সব কিছু গুছিয়ে দিয়ে বেরিয়ে পরার মুহূর্তে অমু জিজ্ঞাসা করলো মা তুমি বেরচ্ছ?
হ্যারে অমু-
কেন কিছু বলবি?
না মানে কাল থেকে তুমি বারেবারেই অন্যমনস্ক হয়ে পরছো তাই ভাবছিলাম-
কিছু কী হয়ছে? বলল অমলেশ-
সব বলবো অমু ফিরে এসে, আমি বেরচ্ছি চিন্তা করিস না সাবধানে যাস কেমন আর ঠাকুরমাকে নমস্কার করেই বেরোস-
নিজেও বেরিয়ে পরলো ক্যামেলিনকে খুজে বার করতে, অনেক দেরি হয়ে গেছে আর দেরি সে করবেনা-
ফিরে এসে সব বলবে অমুকে, নিশ্চয়ই বুঝবে সব এখন সে আর ছোটটি নেই ডাক্তার হয়েছে-
নিউ টাউনে পৌছে একজনকে সে ঠিকানাটা দেখাল, সে হাত বাড়িয়ে বুঝিয়ে দিল কী ভাবে যেতে হবে-
কোলকাতায় এমন গ্রাম আছে জানা ছিলনা তার, পাতাল রেলের ওভারব্রিজ তৈরি হয়ে গেছে তৈরি হয়েছে চৌরাস্তার মাথায় ফুডকোর্ট তারপরও সেই জায়গায় একটু এগিয়ে এতো অনুন্নত জায়গা ভাবতেই পারছেনা-
ইকোপার্কের সামনে থেকে এগারো নম্বর বাসে উঠলো সে ঠিকানায় পৌছাতে, একটু ভয় নানা ভাবনা সবার উপরে একটা অচেনা মেয়ে সে কী ভাবে নেবে তাকে এই ভাবনা-
বাসের কনট্যাক্টটারকে বলে রেখেছিল বাসে ওঠার সময়ই, ঠিকানা মতো নামিয়েও দিল সে অনামিকাকে-
এই দিকটা কখনও আসেনি অনামিকা, বাস থেকে নেমে একটা লোককেও দেখতে পেলনা সে রাস্তায়-
এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখতে থাকলো সে, হঠাৎ একটা বাড়ির ভেতর থেকে এক মহিলা বেড়িয়ে এলো খানিকটা আস্তস্থ হলো অনামিকা-
এগিয়ে গেল সে ঐ মহিলার দিকে ঠিকানাটা  বলল সে তাকে, একটা অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো কিছুক্ষণ বিস্ফারিত চোখে ঐ মহিলা-
অনামিকা তাড়াতাড়ি চিঠিটা বার করে দেখালো মহিলাকে, ফোটোটাও দেখালো সে মহিলাকে-
এতোক্ষণে মহিলা জিজ্ঞাসা করলেন কে হয় আপনার এই মেয়েটি?
অনামিকা মাথাটা একটু নিচু করলেন প্রথমে তারপর বললেন এখানেই বলবো?
একটু তাকিয়ে থেকে মহিলাটি বললেন আসুন আমার সাথে-
ভিতরে এসে অবাক হলেন অনামিকা বাইরেটা যেমন মাটির ঘর ভিতরে পুরোটাই উল্টো দামি আসবাব আর ওয়েল ডেকরেশন করা-
অনামিকাকে বসিয়ে কোনও একজনের নাম ধরে ডাকলেন মহিলাটি এবং তাকে কিছু বললেন, সে চলে যেতেই অনামিকার দিকে ঘুরে বললেন এবার বলুন-
অনামিকা প্রথমেই মহিলাকে তাদের বিয়ের সময়ের একটা ছবি দিলেন, তারপর সব বললেন কোনও কিছু বাদ না দিয়ে এমনকি তার ছেলে যে অনেক বড় ডাক্তার সেটাও বললেন মহিলাটিকে-
ইতিমধ্যে একজন এসে অনামিকার জন্য মিষ্টি আর কিছু শুকনো খাবার রেখে গেছে, কিন্তু সে হাত দিয়েও দেখেনি কিছুতে-
কথা শেষ করে তাকালো সে মহিলার দিকে মুখে বলল একবার কী ওর সাথে কথা হতে পারে?
কিন্তু আপনি এতো দেরি করলেন কেন আসতে? জিজ্ঞাসা মহিলার-
আমার কাছে কাল দুপুরের ডাকে এসেছে চিঠিটি বিশ্বাস করুন, আজ এতো বছর পরে কমলেশের উপরেই আর কোনও রাগ নেই আর ওতো আমার সন্তানসম-
এবার একজনকে ডেকে বলল ক্যমেলিনকে
আনার জন্য-
যখন ক্যামেলিন ঘরে ঢুকলো মুখের দিকে তাকিয়ে অবাক হলো অনামিকা একদম কমলেশের মুখ কেটে বসানো, নীলচোখ সোনালি চুলে অদ্ভুত একটা মিষ্টি মেয়ে দেখলেই বুকে জড়াতে ইচ্ছে করে-
একটু হালকা হেসে হাত বাড়িয়ে দিল অনামিকা ক্যমেলিনের দিকে, অদ্ভুত ভাবে তাকিয়ে আছে মেয়েটি অনামিকার দিকে-
আসার সময় মাম্মির দেওয়া ছবিটার মতো একদম দেখতে একটা মিষ্টি হাসি লেগে আছে মুখের সর্বত্র ভাবলো মনে মনে ক্যামেলিন-
কিন্তু সে দরজার কাছে দাঁড়িয়েই বাবার বলা কথা গুলো হয়তো মেলাতে চেষ্টা করছিল-
এবার ইংরেজিতেই বলল অনামিকা তাকে কাছে আসার জন্য, আস্তে আস্তে এগিয়ে এলো সে অনামিকার দিকে-
দুজনেই জড়িয়ে ধরলো দুজনকে হঠাৎ ক্যামেলিন মা বলে ডেকে উঠলো অনামিকাকে-
চমকে উঠলো অনামিকা, চোখের কোন থেকে ঝরে পরলো অনেক দিনের লুকানো চোখের জল-
মুখে বলল আমার আসতে দেরি হলো বলে অভিমান হয়েছিল তোর কমল?
আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো সে অনামিকাকে-
তারপর সমস্ত ফর্মালিটিস পুরণ করতে কিছু সময় লেগে গেল সেসব করতে করতেই রাত দশটা বেজে গেল অনামিকার-
ততক্ষণে ক্যামেলিন সব গুছিয়ে নিয়েছে কাগজপত্র সব ঠিক করে গুছিয়ে নিল অনামিকা-
তারপর ক্যামেলিনকে নিয়ে বেরিয়ে এলো বাড়িটির ভিতর থেকে-
আজ সে সত্যি ই জিতে গেছে, কারন জন্ম না দিয়েও সে আরেকটি সন্তানের মা হতে পেরেছে-
উবারে বসে একটু মিষ্টি হাসলো ক্যামেলিনের দিকে তাকিয়ে-
একবার ক্যামেলিনকে দেখে নিল তারপর জড়িয়ে ধরলো নিজের বুকের কাছে পরম তৃপ্তিতে।।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে