কুড়িগ্রামে সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু কর্ণার চালু

0
663

এজি লাভলু: কুড়িগ্রাম সদর জেনারেল
হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের চাপ
বৃদ্ধি পাওয়ায় ডেঙ্গু কর্ণার চালু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এর
আগে যারা ঢাকায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে
কুড়িগ্রামে ফেরত আসেন। তাদের অনেকেই আবার অসুস্থ হওয়ায় সদর
হাসপাতালে ভর্তি হন। এধরনের রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ৮ জনে।
এদের মধ্যে ৫ জন কুড়িগ্রাম সদর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়ে
চিকিৎসা নিচ্ছেন। বাকি ৩ জনের অবস্থার অবনতি ঘটায় তাদের উন্নত
চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়।
কুড়িগ্রাম সদর জনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার
ডাঃ শাহিনুর জানায়, গত ৩দিনে আরিফুল হাসান, আব্দুল্লাহ আল
মামুন, আলী আহমেদ, আমিনুল ইসলাম ও খাইরুল ইসলাম নামে ৫ জন
ডেঙ্গু রোগী ঢাকায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে কুড়িগ্রামে এসে
হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অপর তিন জন রোগীকে ঢাকায় রেফার্ড
করা হয়েছে। হাসপাতালের কার্ডিয়াক মেডিসিন ওয়ার্ডে
ইতোমধ্যেই ৮জন ডেঙ্গু রোগীকে পর্যায়ক্রমে ভর্তি করা হয়। রোগীদের
সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা সবাই ঢাকা থেকে ২-৩দিন আগে
ফিরে এসেছেন। এর মধ্যে আব্দুল্লাহ আল মামুন ঢাকায় জ্বরে আক্রান্ত
হয়ে কুড়িগ্রাম ফিরলেও অন্যরা কুড়িগ্রামে ফিরে জ্বরে আক্রান্ত
হয়েছেন। পরে তারা কুড়িগ্রামে আপডেট নামে একটি ডায়াগনস্টিক
সেন্টারে জ্বর পরীক্ষা করালে তাদের ডেঙ্গু এনএস-১ পজেটিভ ধরা পড়ে।
কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্ধসঢ়;বাবধায়ক ডা. আবু মো.
জাকিরুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত ৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী
কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে তারা সবাই
ঢাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কুড়িগ্রামে এসেছেন। এরমধ্যে ৩ জন
রোগী উন্নত চিকিৎসার জন্য চলেগেছেন। এছাড়া গত ৩ দিনে নতুন
করে ৫ জন রোগী ভর্তি হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি
আরো জানান, আমাদের হাসপাতালে এনএস-১ এন্টিজেন শনাক্ত করার

কোনও ব্যবস্থা না থাকলেও কোনও ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী এলে তার
চিকিৎসা সুবিধা এখানে রয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত
রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য মেডিসিন ওয়ার্ডে ডেঙ্গু
কর্ণার চালু করেছি। আক্রান্ত সকল রোগীদের মশারির ভেতর রেখে
চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।আরো রোগী এলে কোন সমস্যা হবেনা বলেও
তিনি জানান। তাদের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে।
কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা.এস এম আমিনুল ইসলাম জানান,
তত্বাবধায়কসহ আমি নিজে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের দেখতে
গিয়েছি। আতংকিত হওয়ার মতো কিছু নেই। ডেঙ্গু আক্রান্ত
সবচেয়ে বেশি খারাপ হেমোরাইজিক ডেঙ্গু। এতে প্লাটিলেট
(অনুচক্রিকা) দ্রুত কমে গিয়ে রোগীর অবস্থা খারাপ হতে থাকে। যে
৩জন এ সমস্যায় পড়েন তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায়
পাঠানো হয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে