ঢাকা মহানগর (উত্তর) ছাএলীগ সহসম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন পটুয়াখালী জেলার সন্তান

0
720

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি : সাগরকন্যা নামে খ্যাতীমান লাভ করেছে পটুয়াখালী জেলা ঠিকতেমনি খ্যাত লাভ করেছে, ঢাকা মহানগর ( উত্তর) এস’ এম আশিকুর রহমান নিয়াজ। ” অন্তর্গত ” পটুয়াখালী জেলা কলাপাড়া উপজেলার পায়রা বন্দর ও এ উপকূলীয় এলাকা থেকে গড়ে ওঠা এক পরিশ্রমী,মেধাবী, যোগ্য নেতৃত্বের অধিকারী ও গুলশান থানা ছাত্রলীগের সাবেক সফল সাংগঠনিক সম্পাদক লড়াই সংগ্রামের অগ্রসৈনিক এস.এম আশিকুর রহমান নিয়াজ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা মহানগর( উত্তর)এর সহসম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। যিনি খেপুপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫(এ+) পেয়ে উত্তীর্ণ হন।খেপুপাড়া মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজ থেকে জিপিএ-৪.৭০ পান।তিনি স্কুল ও কলেজ জীবনে ছাত্রলীগের সাথে থেকে সক্রিয়ভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন । বর্তমানে তিনি সরকারি তিতুমীর কলেজে ফিন্যান্স এ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে বিবিএ শেষ করে এম.বি.এ.তে অধ্যায়নরত। জানা যায় পারিবারিক ভাবেই তিনি আওয়ামী পরিবারের সন্তান । ছোটবেলা থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে লালন করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নিজেকে গড়ে তুলেছেন। তিনি বলেন , “আমার শৈশবের স্বপ্ন, কৈশরের নানান ত্যাগ ও ভালবাসার সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন সক্রিয়কর্মী হয়ে থাকাটাই আমার ভাললাগা,বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হওয়াই আমার বড় পদ,আমি ২০১৩ সালে শেখ রবিউল ইসলাম সোহেল ভাইয়ের ভালবাসায় গুলশান থানার সাংগঠনিক সম্পাদক হই অতঃপর ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারী থেকে প্রায় ১৪টি মাস সাবেক থাকার পর মহানগর এর সহসম্পাদক হয়েছি।এ পদটির জন্য আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক,জামাত শিবিরের আতংক,সাহসী নেতৃত্ব সিদ্দিকী নাজমুল আলম ভাই, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সফল সম্মানীত সভাপতি শেখ রবিউল ইসলাম সোহেল ভাই ও নগরের বর্তমান বিপ্লবী সাধারন সম্পাদক মহিউদ্দীন আহম্মেদ ভাইয়ের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ, কৃতজ্ঞ সকল শুভাকাঙ্খি ও সর্বোপরি আমার জন্মদাতা পিতামাতার প্রতি। ” তার এক ফেইসবুক স্টাটাস এ লিখেছেন”আমাকে নগর উত্তরের সহসম্পাদক করা হয়েছে।ছাত্ররাজনীতি করতে এসে কি পেলাম আর কি হারালাম আর কি পেলামনা এ হিসাব কখনো করিনা। আমি “রাজপথের কর্মী” এটাই আমার সবচেয়ে বড় পদ। আমার শ্রদ্ধাভাজন ভাইয়েরা আমাকে যে আদর স্নেহ ও ভালবাসা দিয়ে আগলে রেখেছেন এটাই বড় পাওয়া। ধন্যবাদ সকলকে..।” তিনি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার হাতিয়ার হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত রাখতেও সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন এবং সর্বপরি দক্ষিনবঙ্গের গর্ব,ছাত্রসমাজের নিবেদিত প্রান,আওয়ামীলীগ এর দুঃসময়ের নেতা মাহমুদ উল আলম টিটোর প্রতিও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। তরুন প্রজন্মের গর্ব, কলাপাড়াবাসীর অহংকার এস.এম আশিকুর রহমানের সাথে আলোচনার শেষের দিকে আমাদের পক্ষ থেকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, “কৈশরের নানান ত্যাগ বলতে কি বোঝালেন? উত্তরে তিনি বলেন,”আমি সেই প্রাইমারী স্কুল জীবন থেকেই কিছু বুঝতাম আর নাই বুঝতাম যেকোন নির্বাচনী মিছিলে ও আওয়ামীলীগের মুরুব্বীদের সাথে মিটিংএ উপস্থিত থাকাটা ছিল অভ্যাস।ষষ্ঠ শ্রেনী থেকে মজিদ স্যার নামে এক শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষকের কাছ থেকে প্রায়ই বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা সম্পর্কে জানতে ও শিখতে থাকি।অতঃপর তারই উৎসাহে বন্ধু অভি গাজীসহ আরো অনেককে নিয়ে ছাত্রলীগের পথচলা শুরু করি তখন বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় নানা সময়ে বিভিন্ন কারণে নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। একটি সময় এসে শৈশবের সেই বন্ধু অভি গাজীকে চিরদিনের মত হারাতে হয়েছে বিএনপির নেতাদের হাতে খুন হয়ে তাও আবার আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে। এরকম অনেক নির্যাতন ও ত্যাগ জীবনে রয়েছে যা বললে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনা।নিরবেই কাঁদি কিন্তু কখনো কাউকে তেমন একটা শেয়ার করিনা।

সুভাস দাস

Leave a Reply