পাবনার ঈশ্বরদীতে জমে উঠেছে ঈদ বাজার, দোকান মালিকেরা বলছেন বেচা – কেনা আশানুরূপ নয়!

0
729

পাবনা জেলা প্রতিনিধি: ঈদ উপলক্ষে পছন্দের পোশাক কিনতে ছুটির দিন ঈশ্বরদী বাজারের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজে ভিড় করেন অনেকে।

ঈদের এখনও প্রায় দুই সপ্তাহ বাকি থাকলেও সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ক্রেতাদের পদচারণায় সরগরম দেখা গেল ঈশ্বরদী উপজেলার ফ্যাশন হাউজ ও শাড়ি-চুড়ির দোকান।

তবে দোকান মালিকেরা বলছেন, ক্রেতা উপস্থিতি বেশ হলেও বিক্রি এখনও ‘আশানুরূপ’ নয়। ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় হবে, বিক্রিও হবে খুব।”

আজ শনিবার (২৫ মে) ওই এলাকা ঘুরে দেখা যায়, জাঁকের সুপার মার্কেট, মনিরপ্লাজা, বঙ্গবন্ধু সুপার মার্কেট, গোপাল মার্কেট, পৌর সুপার মার্কেট, রেলওয়ে নিউ মার্কেটসহ রাস্তার পাশে জামা-জুতা, শাড়ি-চুড়ি ও অন্যান্য প্রসাধনীর দোকান।
জাকের সুপার মার্কেটের ‘পণ্য সমাহার’ নামের একটি প্রসাধনীর দোকানের পরিচালক এবং ঈশ্বরদী শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি শফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, “ক্রেতা আসছে ঠিকই, কিন্তু বিক্রি আশানুরূপ নয়। ঈদের বেচাকেনায় ভিড়ও আরও বাড়ার কথা। আগামী সপ্তাহে বেচাকেনার ব্যস্ততা আরও বাড়বে বলে আশা করি।”

গোপাল সুপার মার্কেটের মিমো সুজ নামের একটি জুতার দোকানে কিছু ক্রেতাকে জুতার দরদাম করতে দেখা যায়। এই দোকানের বিক্রয়কর্মী আকিল আহম্মেদ বাপ্পী মনে করেন, তাঁদের বেচাকেনা আশানুরূপ হচ্ছে না। “আমাদের এখানে দেশীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চামড়া, রেকসিনের তৈরি বিভিন্ন ব্রান্ডের জুতা রয়েছে। তবে ক্রেতাদের ভালো রেসপন্স এখনও পাচ্ছি না। অনেকে আসছে দেখছে, মুলামুলি করে ফিরেও যাচ্ছে।”

সামনে ঈদ, তাই ছুটির দিন শনিবার ঈশ্বরদী বাজারের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজে বাড়ে ক্রেতাদের আনাগোনা।

স্ত্রীকে নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা মাহাবুবুল আলম মনে করেন, জিনিসপত্রের দাম বেশ চড়া। “দুই বছর আগের ৫০০ টাকার জিনিস এখন ১২০০ টাকা দাম চাচ্ছে। ইন্ডিয়ান লন কাপড়ের একটি থ্রি পিস কিনলাম ১২০০ টাকায়। যে থ্রি পিসটা আগে আড়াই হাজার টাকায় পাওয়া যেত সেটা এখন চাচ্ছে ৩৫০০ টাকা। বুঝেন অবস্থা!।”

সবচেয়ে বেশি ব্যস্ততা দেখা গেছে ‘নাসিম শাড়ি কুঠির’ নামের একটি শাড়ির দোকানে। সেখানকার এক কর্মী সাংবাদিকদের জানান, ৮০০ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকার শাড়ী রয়েছে এবারের ঈদ বাজারে।

রং বাংলাদেশ পয়েন্ট নামের আরেকটি দোকানের কর্মীরা জানান, দেশীয় বিভিন্ন বুটিকের জামা রয়েছে। এগুলোর দাম এক হাজার থেকে ছয় হাজার টাকার মধ্যে।

আমব্রেলা ব্রান্ডের বিক্রয়কর্মী শাওন জানান, ছেলেদের জন্য পাঞ্জাবি, শার্ট, টি-শার্ট, ডেনিম পণ্য রয়েছে। শিশুদের বিভিন্ন পোশাক রয়েছে। মেয়েদের জন্য রয়েছে কুর্তি, কামিস, থ্রি-পিস, ওয়ান পিস ও ওড়না রয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে