নিজের স্বরুপ কে কি ভাবে জানবেন?

0
856
তাহামিদা খাতুন আঁখি

নিজের স্বরুপ কে কি ভাবে জানবেন?

তাহামিদা খাতুন আঁখি
*********************************-
উত্তরঃ-
একজন বিশিষ্ট গুরু উত্তর টা এ ভাবে দিয়ে ছিলেন।
শুধু বিষয়টা জানাটাই যথেষ্ট না।
তুমি চারপাসের প্রতিটা বিষয় খুব মনোযোগ দিচ্ছো খালি নিজের প্রতি কোন মনোয়োগ নাই। কিন্ত তোমার জিবনের মান মুলত কি ভাবে প্রস্তুত করছো এটা তার উপর নির্ভর করে।
তুমি কি পরে আছো, কি ধরনের গাড়ি পার্ক করে আছো, কি ধরনের বাড়িতে আছো এ গুলি তোমার জিবনের মান নির্ধারন করে না।
এই মুহুর্তে তোমার মধ্যে তুমি কেমন আছো বা কতটুকু আনন্দ অনুভব করছো সেটাই জিবনের গুনগত মান নির্ধারন করবে।
তোমরা তোমাদের সুখের জন্য মন গড়া কল্পিত একটা ধারনা মনের মধ্যে পোষন করো যেমন ঃ- আমাকে যদি সুখী হতে হলে হয তো আমার স্ত্রী এমন হতে হবে, ওমন হতে হবে, ছেলে মেয়ে সব ডাক্তার ইন্জিনিয়ার হতে হবে। নিজের বাড়ি থাকতে হবে গাড়ি থাকতে হবে আসে পাশের পরিবেশ এমন হতে হবে ওমন হতে হবে সবি ঠিক আছে কিন্ত তুমি তোমার সুখ ও শান্তির জন্য
কিছু অবাস্তব কিছু শর্ত তৈরী করছো। এখন তুমি তোমার শান্তির জন্য আপোস করছো। কেন আমি বলছি যে তুমি শান্তির জন্য আপস করছো কারন এমন
বহু মানুষ আছে যারা তারা তাদের জিবনের আনন্দে উৎচ্ছাশিত হয়েও তার তাদের আশা ত্যগ করেছে। কারন অনেকেই মনে করে যে আমি যদি শান্তিতে থাকি তো তাই যথেষ্ট।এমন কি তথা কথিত অনেক গুরুরা বলেছেন যে শান্তি তোমার জিবনের সর্বচ্ছ শেষ ঠিকানা।
কারন তুমি যদি দুপুর বেলা খেতে চাও তাও শান্তির দরকার। তুমি যদি শান্তি না পাও তো তুমি তোমার জিবনের মর্যাদা পূর্ণ কাজটা করতে পারবেনা। শান্তিতে থাকার মানে জিবনের লক্ষই হলো শান্তি। শান্তি তোমার জিবনের আসল লক্ষ নয়। শান্তিতে থাকা মানে তোমার
শরিরের সিষ্টেম সব ঠিক ঠাক মতো চলছে।
যদি জানো কি ভাবে মনকে পরিচালনা করতে হয়।আবেগ কে কি ভাবে পরিচালনা করতে হয়, শরির কে কি ভাবে পরিচালনা করতে হয তবেই তুমি শান্তিতে
আছো। এটা কেন রকেট প্রযুক্তি নয যে একে বারেই
প্রাথমিক বিষয়। বাড়িতে যদি একটা কুকুর থাকে তো
তাকে যদি তুমি খাবার দেও তো সে একদম চুপচাপ
থাকবে। আর তা তো থাকবেই কারন তাকে তো আর
বিজনেস দেখতে হয় না। তোমার বার্জিক কার্য্য কলাপে সাথে এটার কোন সম্পর্ক নাই তোমার অভ্যন্তরিন কি
ভাবে কাজ করছে।
এটা তার সাথে সম্পর্কিত মুলত এর মানে হলো তোমার শরির মন রসায়ন তোমার আবেগ তোমার শক্তি তোমার নির্দেশ মতো কাজ করছেনা। তারা তাদের মন মতো কাজ করছে। তোমারদেহ যদি তোমার
নির্দেশ মতো না কাজ করে তো তুমি কি ভাবে
শান্তিতে থাকবে। ধরো তোমার গাড়ি তুমি ডান
দিকে নিয়ে যেতে চাইছো সে বাম দিক হয়ে বসে
আছে। তাহলে তোসার কি অবস্তা হবে।

বলো গাড়িটা কি তাহলে ঠিক ঠাক চালাতে পারবে? তখন৷ তো তোমার উৎবিগ্ন হবারই কথা।
তুমি নামক গাড়িটার ও তাই হয়েছে। আর এটা
নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেছে। মুলত তুমি কখন ও
তোমার জীবনের নিয়ন্ত্রনের উইল টা খুজে বের করার চেষ্টাই করনি। গাড়ির মতো মানুষের শরির
এতো সহজ না। এটা একটা সুপার সুপার কম্পিউটার আর বেশির ভাগ মানুষের এখন কার
সমস্যাই হলো মানুষ সে তার নিজের কি বোর্ডেরই
খবরই রাখার কথা চিন্তা করে না।

ওরা ভাবে করলেই এটা কাজ করবে। কোন অধুনিক যন্ত্রের সঠিক ব্যবহার না জানলেই তুমি
বিপদে পড়বে। মানুষের শরিরে সব সময় কিছু না কিছু মৌলিক পরিবর্তন হচ্ছে সবসময়ে।কারণ এটা একটা সুক্ষ যন্ত্র ও কঠিন যন্ত্র। টাচ ফোনের মতো।মনে হলেই
কাজ শুরু করে দেয়।

যদি উল্টা পাল্টা কিছু করো তো শান্তি হারাম হয়ে যাবে। শান্তিকে জীবনের মূল লক্ষ ভাবা ঠিক নয়।সেটা করলে তোমকে ই চির শান্তিতেই চলে যেতে হবে। দেখতে হবে শান্তি যেন প্রথমিক লক্ষ হয়।যদি তুমি৷ জিবনের লক্ষ পূরণ কিছু করতে চাও।

যদি উল্টা পাল্টা কিছু করো তো শান্তি হারাম হয়ে যাবে। শান্তিকে জীবনের মূল লক্ষ ভাবা ঠিক নয়।সেটা করলে তোমকে ই চির শান্তিতেই চলে যেতে হবে। দেখতে হবে শান্তি যেন প্রথমিক লক্ষ হয়।যদি তুমি৷ জিবনের লক্ষ পূরণ কিছু করতে চাও।

তোমাদের মধ্যে যা ঘটছে তা কেন ঘটছে তা নিয়ে কখনই ভাবনি। ভেবেছে এমনিই ঘটছে। এটাও সামান মনযোগ দাবি করে। আমরা পৃথিবিকে আমাদের মতো করে তৈরী করেছি প্রচুর সুবিধা ও স্বাচ্ছন্দ এসেছে ঠিকি কিন্তু মানুষ ভালো নেই।মানুষ কখন ভালো থাকবে? যখন মানুষ নিজেকে নিজের মতো করে প্রস্তুত করে পারবে তখন ভালো থাকবে। এটা কেই ভালো থাকা বলে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে